প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কর্তৃক আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ সমাবেশে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দলটির দাবি অনুযায়ী, এ বিস্ফোরণে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা এবং উপস্থিত জনতা সাভার মডেল থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
সোমবার (৬ জুলাই) রাতে সাভার পৌর এলাকার তারাপুর মাঠে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ‘জুলাইয়ের চেতনায় গড়বো নতুন বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সমাবেশের প্রধান অতিথি ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
সমাবেশের পরিচালনা করেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। রাত ৯টা ১ মিনিটে সভাস্থলের চারপাশে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। সারজিস আলম বিদ্যুৎ বিভ্রাটকে ‘সরকারের হঠকারিতা ও চক্রান্ত’ আখ্যা দিয়ে বক্তব্য দেন। এরপর ছাত্রশক্তির এক নেতার বক্তব্যের পর ঢাকা উত্তরের আহ্বায়ক ও সভার সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাজনিদ তার বক্তব্য শেষ করেন।
রাত ৯টা ৩৯ মিনিটে সভাস্থল থেকে কিছুটা দূরে সাংবাদিকদের বসার স্থানের কাছে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে লাল ও কালো কস্টেপে মোড়ানো ককটেলের ছিন্নভিন্ন অংশ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিস্ফোরণে ইমরান নামের একজনের পায়ে আঘাত লাগে এবং রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে দ্রুত এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। জানা গেছে, ইমরান এনাম মেডিকেল কলেজের একজন কর্মী। তবে এনসিপির দাবি, এতে তাদের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
বিস্ফোরণের শব্দে সমাবেশে আসা অনেক মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি শুরু করেন, কিন্তু মঞ্চে থাকা নেতারা দৃঢ়চেতা ছিলেন। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম মাইক্রোফোন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান, এবং সরকারের সমালোচনা করে দীর্ঘ বক্তব্য দেন।
তার বক্তব্য শেষ হওয়ার পর মঞ্চে থাকা নেতা ও কর্মীরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদ জানিয়ে সাভার মডেল থানার সামনে অবস্থান নেন। সর্বশেষ খবর পাওয়া অনুযায়ী (রাত সাড়ে ১০টা) তারা থানার সামনে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন