প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লা কারাগারে ছিলেন যুবদলকর্মী শহিদুল্লাহ রাসেল (৪১), যিনি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তিনি বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। শহিদুল্লাহ রাসেল লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের আটিটি খন্দকার বাড়ির আবুল হাসেমের সন্তান ছিলেন। তিনি পেরুল উত্তর ইউনিয়ন যুবদলের মধ্যে সক্রিয় কর্মী হিসেবেও পরিচিত।
এর আগে, গত ১০ মে বিকেলে শাসনপাড়া গ্রাম থেকে ১০২ পিস ইয়াবাসহ লালমাই থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। হাসপাতাল ও কারাগার সূত্রে জানা যায়, ১১ মে আদালতের নির্দেশে শহিদুল্লাহ রাসেলকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
১৯ মে কারা হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে কাশিসহ নিউমোনিয়াজনিত রোগের জন্য ওষুধ প্রদান করেন। পরে, ১৭ জুন সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিকেল ৩টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শহিদুল্লাহ রাসেলের স্ত্রী হালিমা আক্তার বলেন, “আমার স্বামীকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মোবাইলে কল করে আটিটি বাজার থেকে শাসনপাড়া নিয়ে ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে পুলিশে দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বললেন, “তিনি তওবা করে ভালো হয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু তাদের কারণে আমার স্বামী মৃত্যুর দিকে ঠেলে পড়লেন।”
লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ আলী মীর পিন্টু বলেন, শহিদুল্লাহ রাসেল ছিলেন যুবদলের নিবেদিত কর্মী। এ ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা ষড়যন্ত্র হয়েছে কিনা, সেই বিষয়ে তদন্ত করে জেলা পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
কুমিল্লার সিনিয়র জেল সুপার শাহ আলম খান বলেন, মৃত শহিদুল্লাহ রাসেল ১১ মে মাদক মামলায় কারাগারে আসেন। কারাগারে আসার আগেই তিনি নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। চিকিৎসাপত্রের ভিত্তিতে কারা চিকিৎসকরা তাকে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন এবং ফলোআপে রেখেছিলেন। বুধবার সকালে ৯টায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাসেলকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৩টায় কার্ডিয়াক শকে তার মৃত্যু ঘটে। মরদেহ সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন