প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সমাবেশে যোগদানে বাধা দেওয়ার জন্য তার গুলশানের বাসার সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার ঘটনা ও পেপার স্প্রে প্রয়োগ করার মামলায় সাবেক যুগ্মসচিব সৈয়দ জগলুল পাশাকে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম শুনানি শেষ করার পর এই রিমান্ডের আদেশ দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার সময় রাজধানী ভাটারা এলাকার বাসা থেকে জগলুল পাশাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। তার পর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সাথে রিমান্ড শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন আদালত।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর জগলুল পাশাসহ মামলার এজাহারনামীয় ১১১ আসামি এবং অজ্ঞাত ২৫০/৩০০ জন মারাত্মক অস্ত্র-সস্ত্রসহ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসার সামনে সকাল থেকে সারা দিন অবস্থান করেন। তারা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করেন। আসামিরা রাস্তার উপর অন্তর্ঘাতমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে রাস্তা বন্ধ করে ফেলেন। খালেদা জিয়া যেন সমাবেশে যোগ না দিতে পারেন, সে কারণে তারা রাস্তার উপর ত্রাস সৃষ্টি করে।
কর্মসূচি অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৯টার সময় খালেদা জিয়া তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে সমাবেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে গেলে আসামিরা রাস্তায় বাধা দেয়। তারা বিভিন্ন ট্রাক, বালুর ট্রাক রাস্তায় রেখে ব্যারিকেড দেয়। খালেদা জিয়া বারবার চেষ্টা করেও আসামিদের বাধা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি এবং নিষিদ্ধ পেপার স্প্রে ব্যবহার করে উক্ত আসামিরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। এতে খালেদা জিয়াসহ তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা আহত হন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর গুলশান থানায় মামলাটি করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লতিফ হল শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শরীফুল ইসলাম শাওন। এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৩/১৪৭/১৪৮/৩৪১/৩৪২/৩৪৩/৩০৭/১০৯/৩৪ ধারাসহ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৯৭৪ এর ১৫(১)বি ধারার অভিযোগ আনা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন