প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনি মন্তব্য করেছেন, ‘আমরা ৫ মাসের মধ্যে দুটি লংমার্চ প্রত্যক্ষ করেছি। যারা এই কার্যক্রম করে, তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আমি অবগত নই। তারা দাবি করে- গ্যাস দাও, বিদ্যুৎ দাও, নইলে গতি ছেড়ে দাও। বিদ্যুৎ কি কারো পক্ষে আটকে রাখা সম্ভব?’
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে বরগুনার সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের সেই জ্ঞান ও বুদ্ধি হয়েছে কিনা, তা আমি জানি না। তারা আবারও বলে- গ্যাস দাও, বিদ্যুৎ দাও, নইলে গতি ছেড়ে দাও। বিদ্যুৎ কি কারো পক্ষে আটকে রাখা সম্ভব? চাইলেই বিদ্যুৎ বিক্রি করা যাবে না, আটকে রাখা যাবে না, গোপন করা যাবে না- সেই বিদ্যুৎ না দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কষ্ট দেবেন কেন? প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ না দিয়ে আপনাদের সবাইকে কষ্ট দিলেন এবং ভবিষ্যতে আপনারা বিএনপিকে ভোট দিলেন না, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর লাভ কি হল?’
চিফ হুইপ আরও বলেন, ‘ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের যত দুঃসময় আসে, তখন দেশের শাসনভার থাকে বিএনপির কাঁধে। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য ভালো বলেই তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘পতিত শেখ হাসিনা সরকার বিদ্যুতের বিষয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করে গেছেন। সামিট গ্রুপ বিদ্যুতের সমস্ত টাকা নিয়ে গেছে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন যাতে না হয় সেই ব্যবস্থা করেছে।’
পাওয়ার প্লান্টের অবস্থা সম্পর্কে তিনি জানান, ‘পাওয়ার প্লান্ট আছে কিন্তু সেখানে বিদ্যুৎ তৈরি হয় না। তারা খারাপ যন্ত্রপাতি এনে পাওয়ার প্লান্ট ভরে রেখেছে, যা দিয়ে উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। একটা দেশ ধ্বংস করার এক রকম পরিকল্পনা হতে পারে, এটা ভিতরে ঢোকার পর আমি বুঝেছি।’
পায়রা বন্দরের চ্যানেল খননের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পায়রা বন্দরের চ্যানেল খনন করা হয়েছে। খননের আগে গভীরতা ছিল পাঁচ মিটার এবং খনন শেষেও গভীরতা ৫ মিটার। অথচ দেশের ছয় হাজার কোটি টাকা নেই। এ রকম লুটপাট এবং দেশ ধ্বংস যে কেমন করে হয়, এটা না দেখলে বুঝতে পারবেন না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন