প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মঙ্গলবার দুপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে জনবল নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে নিয়োগ বঞ্চিতরা গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ভাংচুর করেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান ভাংচুরের বিষয়টি তার কার্যালয়ে নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির আওতায় মঙ্গলবার দুপুর ১টার সময় অনিয়মের অভিযোগ জানাতে উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ করেন ক্ষুব্ধ জনগণ। তারা এমনকি নিয়োগের প্রকাশিত ফলাফল বাতিলের দাবি জানান। এক পর্যায়ে তারা উপজেলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় ইউএনওর কার্যালয়ে ভাংচুর চালান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তারা উপজেলা কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিলসহ ফুলের টব এবং জানালার গøাস ভাংচুর করেছে। পুলিশ তাদের সরানোর চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়। এ ভাংচুরের ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ফুলছড়ি উপজেলার যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বলে জানা গেছে।
এই বিষয়ে জানাতে গিয়ে ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুপুরের সময়ে একদল বিক্ষুব্ধ যুবক তার কার্যালয়ে ভাংচুর চালায়। কেন ভাংচুর করা হয়েছে এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং তারা কারা, আমরা জানার চেষ্টা করছি।’ বিক্ষোভকারীদের ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগে অনিয়ম বা দুর্নীতির সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তাদের বিষয়টি জানানো হয়নি বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, তারা স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছেন।
ফুলছড়ি ছাত্রদলের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদিন জয় এই ঘটনায় বলেন, ইউএনও যে রেজাল্ট (সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ ফলাফল) প্রকাশ করেছেন, তাতে বহু ফ্যাসিস্ট জড়িত রয়েছে। এর প্রতিবাদে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করেছি। সেখানে বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। কারা ভাংচুর করেছে তিনি জানেন না। তবে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভাংচুরের সাথে বিএনপি বা অঙ্গ-সংগঠনের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন