প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফায়ারিং অনুশীলনের সময় ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত সেনাসদস্য তাসনিম রিফাতের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাদ জোহর রাজশাহীর পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের বিন্দারামপুর গ্রামে তাকে পূর্ণ সামরিক ও সামাজিক মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
এর আগে, বেলা ১১টার দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ হেলিকপ্টারের মাধ্যমে রিফাতের মরদেহ রাজশাহী সেনানিবাসে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। এরপর সড়কপথে মরদেহ তার জন্মস্থান বিন্দারামপুর গ্রামে পৌঁছালে স্বজন ও গ্রামবাসীদের মধ্যে শোকের মাতম শুরু হয়। তরুণ এই সেনাসদস্যকে হারিয়ে পুরো এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
বাদ জোহর পরিবারের সদস্য এবং হাজারো গ্রামবাসীর অংশগ্রহণে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পূর্ণ মর্যাদায় তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুর্ঘটনাবশত ট্যাংকের ভেতরে একটি গোলা বিস্ফোরিত হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মড কোরের ১৫ স্বতন্ত্র সাঁজোয়া স্কোয়াড্রনের সদস্য সৈনিক তাসনিম রিফাতসহ ঘটনাস্থলেই দুই সেনাসদস্য প্রাণ হারান।
মাত্র তিন বছর আগে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মাকে হারান রিফাত। এবার মাত্র ২৮ বছর বয়সী কর্মক্ষম ছেলেকে হারিয়ে নির্বাক হয়ে পড়েছেন বাবা আসাদুল ইসলাম। মৃত্যুকালে এই সেনাসদস্য স্ত্রী এবং প্রায় আঢ়াই বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন।
এ সময় সেনা সদস্যের জানাজার নামাজে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন