প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেল উদ্যোগে ‘নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক আইন: বাংলাদেশের বাস্তবতা এবং টেকসই সমাধান’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার, সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের সমন্বয়ক মুহাম্মদ কাউছার উল্লাহ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এম এ আমিন এবং মোনতাহিনা জান্নাত স্বর্ণা।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের উপদেষ্টা তৌহিদুল ইসলাম।
ড. মাহফুজ পারভেজ বক্তব্যে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভৌগোলিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এখানে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং বাঙালি জনগোষ্ঠী বসবাস করছে। এই অঞ্চলের শান্তি, উন্নয়ন এবং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য সব জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত করা আবশ্যক।
তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের ইতিহাস, জনগোষ্ঠীর পরিচয়, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রসঙ্গ নিয়ে গঠনমূলক আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ কাউছার উল্লাহ বলেছেন, ‘উপজাতি’ এবং ‘আদিবাসী’ শব্দ দুটি একই রকমের নয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন-১০৭ ও ১৬৯-এ উপজাতি ও আদিবাসী জনগণের জন্য পৃথক সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে।
তিনি এভাবেও বলেন, ১৯৯৭ সালের চুক্তির কারণে পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালি জনগণ শিক্ষা, চাকরি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মারাত্মক বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। তাই টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করার জন্য চুক্তির বিভিন্ন দিক পুনর্মূল্যায়ন করার প্রয়োজন রয়েছে।
সেমিনারে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধিরা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তথ্যভিত্তিক গবেষণা, দায়িত্বশীল আলোচনা এবং সব জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বার্থকে বিবেচনায় নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন