প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের একটি কার্গো বিমান নিখোঁজ হয়েছে, বিমানটিতে পাঁচজন আরোহী ছিল এবং এটি শারজাহ থেকে করাচি আসার পথে ছিল। করাচি থেকে প্রায় ১৫৫ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও বেসামরিক সংস্থার সমন্বয়ে আরব সাগরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে।
পাকিস্তান এয়ারপোর্টস অথরিটি (পিএএ) মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গভীর রাতে এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানায়। বিমানটির সঙ্গে রাত ৯টা ৩২ মিনিটে কন্ট্রোল রুমের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তবে বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
নিখোঁজ বিমানটি ২৭ বছরের পুরোনো একটি বোয়িং ৭৩৭, যা একটি পাকিস্তানি কার্গো কোম্পানির পরিচালনায় রয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, ‘টিএ১৭৩২’ ফ্লাইটটি ৩৫ হাজার ফুট উচ্চতায় স্বাভাবিকভাবে উড়ছিল। তবে আচমকা নেভিগেশন সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দিলে বিমানটি ইউ-টার্ন নেয় এবং মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতায় রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়।
বিমানটির সন্ধানে সামরিক ও বেসামরিক সব শক্তিকে কাজে লাগানো হচ্ছে। পাকিস্তান নৌবাহিনী অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে তাদের যুদ্ধজাহাজ ‘পিএনএস জুলফিকার’ ও ‘পিএনএস হুনাইন’ মোতায়েন করেছে। একই সঙ্গে বিমানবাহিনীর সাব-নজরদারি বিমান এবং ন্যাশনাল শিপিং কর্পোরেশনের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোও এই তল্লাশিতে অংশ নিচ্ছে। তবে এখনো পর্যন্ত বিমানের কোনো ধ্বংসাবশেষ বা নিখোঁজ পাঁচ ক্রুর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১০ সালে করাচি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই আট আরোহীসহ একটি রুশ কার্গো বিমান আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছিল। ওই সময় সুদানের খার্তুমগামী বিমানটির আরোহীদের সবাই নিহত হন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন