প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বর্তমান সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় বাংলাদেশ গড়বে, এই দাবি করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
তিনি বুধবার (১৯ আগস্ট) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত যাবার ক্ষেত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় এ বিষয়ে মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, এই মন্ত্রণালয় এবং নবগঠিত জুলাই অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে, প্রতিটি শহীদ পরিবার এবং আহত যোদ্ধারের কল্যাণে কাজ করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় কোনও ধরনের গাফিলতির সুযোগ থাকবে না।
তিনি জুলাই ২৪ এর সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং আহতদের সেবার প্রতি সরকারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, আমরা সবাই এই লক্ষ্যেই অঙ্গীকারবদ্ধ।
সভায় উপস্থিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে ইশরাক হোসেন বলেন, আহতদের চিকিৎসাসেবা এবং পুনর্বাসনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো, জুলাই আহতগুলোর ও শহীদ পরিবারদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করা।
এছাড়া, তিনি বলেন, দলের সীমা ছাড়িয়ে যাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তাদের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। সম্পর্কিত আহত জুলাই যোদ্ধাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা যতটা সম্ভব করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম তালিকার নির্ভুলতা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের এবং শহীদদের তালিকায় যে ধরনের ভুলত্রুটি বা অভিযোগ আসছে, সেগুলো তদন্ত সাপেক্ষে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে সংশোধন করা হচ্ছে।
জুলাই শহীদ ও জুলাই যোদ্ধাদের আবেদনের ভিত্তিতে, ডাক্তারি সনদসহ জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আশরাফুল ইসলাম আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো একটি সম্পূর্ণ নির্ভুল ও স্বচ্ছ তালিকা উপহার দেওয়া, যাতে কোনও অযোগ্য ব্যক্তি এতে সুযোগ না পায় এবং প্রকৃত কোনো জুলাই যোদ্ধা বা শহীদ পরিবার বাদ না পড়েন।
সভায় অংশগ্রহণকারী দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৪৫ এর সংসদ সদস্য এবং জুলাই শহীদ জাবিরের মা রোকেয়া বেগম।
এছাড়া, অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং আরো অনেক সরকারি কর্মকর্তা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন