ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নাঈম হাসানকে মারধরের অভিযোগে খুলশী থানার ওসিকে সরানো হলো


নাঈম হাসানকে মারধরের অভিযোগে খুলশী থানার ওসিকে সরানো হলো

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ উঠার পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই বদলি করা হয়।

সন্ধ্যায়, শনিবার রাত পৌনে ১২টার সময় এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর), অতিরিক্ত দায়িত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ।

আরও পড়ুন: বাগদাদে বায়ুদূষণ শীর্ষে, ঢাকার অবস্থান ১৩তম

আদেশ অনুযায়ী, খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানকে সিএমপির লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

একইসঙ্গে, সিটিএসবিতে কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. জাহেদুল কবিরকে বাকলিয়া থানার ওসি এবং বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে খুলশী থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এর আগে, শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে বাড়ি ফেরার পথে লালখান বাজার ফ্লাইওভারের মুখে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি থামিয়ে হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে খুলশী থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় নাঈমের ভাই বাদী হয়ে খুলশী থানায় মামলা করেন।

মামলায় খুলশী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল ও পুলিশের সোর্স সোহেলকে আসামি করা হয়। অভিযোগের পর অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়।

আরও পড়ুন: টাইব্রেকার রোমাঞ্চে চেলসিকে কাঁদিয়ে শেষ আটে লিভারপুল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিতর্ক ও গুঞ্জন নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করলেন মৌনি রায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৬ এম


বিতর্ক ও গুঞ্জন নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করলেন মৌনি রায়

স্বামী সুরজ নাম্বিয়ারের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মৌনি রায় নিজের নামে ছড়ানো একটি গুজব নিয়ে মুখ খুলেছেন। সম্প্রতি তিনি এক সাক্ষাৎকারে জানান, সম্পর্কের মধ্যে ছড়ানো সবচেয়ে বড় গুজব হলো তিনি নাকি ‘সমকামী’ হয়ে গেছেন।

২০২২ সালে বিয়ের পর, এই জুটি ২০২৬ সালের মে মাসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। এর পর ইউটিউবে মনিকা শর্মার একটি চ্যাট শো-তে মৌনিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তার সম্পর্কে শোনা সবচেয়ে বড় গুজব কোনটি? তিনি তখন সরাসরি উত্তর দেন, ‘ওহ, যে আমি সমকামী।’ সুরজের সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘোষণার কয়েক সপ্তাহ পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিচ্ছেদের পর মৌনি পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের তার পাশে পাওয়ায় নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন। বিশেষ করে বান্ধবীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ৪০ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী বলেন, আমার ভালো-মন্দ সব সময় বান্ধবীরা পাথরের মতো পাশে দাঁড়িয়েছে। সেই সঙ্গে তরুণীদের অর্থনৈতিক ও মানসিকভাবে স্বাধীন হওয়ার পরামর্শ দেন।

মৌনি এবং সুরজ ইনস্টাগ্রামে একটি যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে জানান যে, তারা নিজেদের ইচ্ছায় এবং ভালো সম্পর্কের মধ্য দিয়ে আলাদা হয়েছেন। তবে বিচ্ছেদ নিয়ে সমাজমাধ্যমে বিভিন্ন গুঞ্জন ছড়ালে সুরজ একটি আলাদা বিবৃতি দেন। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন যে, তাদের মধ্যে কোনো ঝগড়া, টাকা-পয়সার দাবি বা তৃতীয় কোনো ব্যক্তির কারণে এই বিচ্ছেদ হয়নি।

সূত্র : এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফজরের নামাজ চলাকালে মসজিদে গুলি, দুইজন গুলিবিদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৮ এম


ফজরের নামাজ চলাকালে মসজিদে গুলি, দুইজন গুলিবিদ্ধ

খুলনায় মসজিদে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুটি মুসল্লি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আজ রবিবার (১৪ জুন) ভোর সাড়ে ৫টায় মহানগরীর দৌলতপুর থানাধীন পশ্চিম কাশিপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র জামে মসজিদে ফজরের নামাজ চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ দুইজন হলেন মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি লোকমান হাকিম (৪৫) এবং আলম মন্ডল (৫৫)। লোকমান হাকিম উত্তর কাশিপুর এলাকার মৃত জব্বার শেখের ছেলে এবং অপরদিকে আলম মন্ডল একই এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানাচ্ছে, ফজরের নামাজ আদায়ের সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত মসজিদে প্রবেশ করে লোকমান হাকিমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

এ সময় পাশে উপস্থিত মুসল্লি আলম মন্ডলও গুলিবিদ্ধ হন। গুলিতে লোকমানের মাথায় আঘাত লাগে, ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, আলম মন্ডলের মাথা, গলার বাম পাশ ও ডান হাতের বাহুতে গুলি লাগে বলে জানানো হয়েছে। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তিনি আশঙ্কামুক্ত।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সহকারী কমিশনার মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

হামলার কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামিসা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির জেল আপিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩১ এম


রামিসা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির জেল আপিল

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুন হাইকোর্টে জেল আপিল করেছেন। রবিবার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলী এবং বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদন দুটি গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানির জন্য রয়েছে। এর আগে, রামিসা হত্যায় আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স (যাবতীয় নথি) হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়। গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা মোতাবেক আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। আর ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। এ ছাড়া আসামি সোহেলকে ৫ লাখ এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দিতে বলা হয়েছে। জরিমানার টাকা না দিলে কালেক্টরেট অফিসকে তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও তা বিক্রি করে রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারদের প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায়ে আরো বলা হয়েছে, আসামিরা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারার বিধান সাপেক্ষে রায় ঘোষণার তারিখ থেকে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারবেন। এর আগে, গত ২৫ মে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান। ওইদিনই মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। গত ১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। পরদিন ২ জুন মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জন সাক্ষ্য দেন। এর মাধ্যমে একদিনেই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এরপর ৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আসামিদের পরীক্ষা করা হয়। গত ১৯ মে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। হত্যার পর রুমের জানালার গ্রিল কেটে ১ নম্বর আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে আসামি স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। আর নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা করেন। গত ২১ মে সেই মামলায় সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে পারিবারিক কলহে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ এম


চট্টগ্রামে পারিবারিক কলহে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় পারিবারিক বিরোধের কারণে ঘরের ভেতরে মা ও মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। ছুরিকাঘাতে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার ফলে ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়েছে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু। অভিযুক্তের ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নেয়া হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের চেনামতি বড়ুয়া পাড়া এলাকায় এই বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ওই এলাকার সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) এবং তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত শিশু পিয়াস বড়ুয়াকে (৫) উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

জানা গেছে, সুদের টাকার বিষয়সহ অনেক কারণে সুজন বড়ুয়ার পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের কারণেই গতকাল রাত ১১টার দিকে বসতঘরে ঢুকে মা, মেয়ে ও শিশুর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় অভিযুক্ত তেজপ্রিয় বড়ুয়া। তিনি ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান।

প্রতিবেশীরা চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। এর মধ্যেই এনি বড়ুয়া ও প্রিয়ন্তী বড়ুয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশু পিয়াস বড়ুয়াকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়।

পরিবারের দাবি, নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া পেশায় একজন সিকিউরিটি গার্ড। তিনি চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ এলাকায় আবাসিক এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন। তাদের সঙ্গে একই বাড়ির চাচাতো ভাই তেজপ্রিয় বড়ুয়ার টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

আনোয়ারা থানার উপ-পরিদর্শক জুয়েল আহমেদ বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। এরপর নিহত মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে জড়িত ব্যক্তি পলাতক রয়েছে।

আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী জানান, দুর্বৃত্তের হামলায় মা ও মেয়ে নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছে এক শিশু। মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা হবে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%