প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইতালির উদ্দেশে যাত্রা করা একটি অভিবাসীবাহী নৌকা তিউনিসিয়ার উপকূলে ডুবে গেছে এবং এর ফলে অন্তত ১৩ জন তিউনিসীয় নিখোঁজ হয়ে গেছেন। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় একটি নৌযান দুজনকে উদ্ধার করেছে। শনিবার আলজাজিরার একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
তিউনিসিয়ার মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান মোস্তফা আবদেলকেবির জানিয়েছেন যে, নৌকাটি বৃহস্পতিবার ভোরে ইতালির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল এবং পরে তা সাগরে ডুবে যায়।
একজন উদ্ধার হওয়া ব্যক্তি জানিয়েছেন, নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরে তাঁরা কয়েক ঘণ্টা সাগরে আটকা ছিলেন। অন্য একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন আবদেলকেবির।
তিউনিসিয়া একসময় ইউরোপে পাড়ি জমানোর জন্য অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান যাত্রাস্থল ছিল। তবে গত দুই বছরে, দেশটি থেকে ইউরোপের উদ্দেশ্যে অভিবাসীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এর পেছনে তিউনিসিয়ার কঠোর অভিযান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তার মাধ্যমে সমুদ্রপথে নিয়ন্ত্রণ জোরদারের বিষয়টি নিহিত রয়েছে।
উত্তর আফ্রিকার এই দেশের মাধ্যমে শুধু তিউনিসীয়রা নয়, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের ইউরোপগামী অভিবাসীদেরও উল্লেখযোগ্য যাত্রাপথ। তাদের অনেকেই অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই ও ঝুঁকিপূর্ণ নৌযানে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন।
তিউনিসিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিবাসন চুক্তি নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনা দৃঢ়ভাবে রয়েছে। গত জুলাইয়ে ৪৬টি মানবাধিকার সংগঠন অভিযোগ করে যে, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ইইউর অর্থায়ন তিউনিসিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর মাধ্যমে সমুদ্রে ঝুঁকিপূর্ণ বাধাদান এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনকে উৎসাহিত করছে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার হিসাব অনুসারে, ২০১৪ সাল থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে ৩৫ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ হয়ে গেছেন। তিউনিসিয়ার মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সাল থেকে ইউরোপের উদ্দেশ্যে যাত্রার প্রয়াসে প্রায় ১০ হাজার তিউনিসীয় সমুদ্রে নিখোঁজ হয়ে গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন