প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে রেফারিংয়ের দায়িত্ব পাওয়া যেকোনো রেফারির জন্য এটি স্বপ্নের মতো। স্লাভকো ভিনচিচের জন্য সেই স্বপ্ন এবার পূর্ণ হলো। ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনার ঘোষণার পরেই তার চোখে আনন্দাশ্রু। কিন্তু স্পেন-আর্জেন্টিনার ফাইনাল শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পর, মন খারাপের সংবাদ দিয়ে রেখেছেন তিনি। স্লোভেনিয়ার রেফারি হঠাৎ করে বাঁশি তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আর কখনো বাঁশিতে ফুঁ দেবেন না বলেও স্লোভেনিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন নিশ্চিত করেছে তার অবসরের খবর।
একটি বিবৃতিতে অ্যাসোসিয়েশনটি জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্রে হওয়া বিশ্বকাপ ফাইনালের এক সপ্তাহ পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিজের ঐতিহাসিক রেফারিং ক্যারিয়ারের সমাপ্তি টেনেছেন স্লাভকো ভিনচিচ। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে স্পেন-আর্জেন্টিনা ফাইনালের দায়িত্ব পালন করে ইতিহাসের অন্যতম সেরা রেফারির তালিকায় নিজের স্থান নিশ্চিত করেছেন মারিবোরের রেফারি।’
মোট কথা, বিশ্বকাপে ভিনচিচ ৬টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। এবারের বিশ্বকাপে ফাইনালসহ পরিচালনা করেছেন ৪টি ম্যাচ। বিপরীতে ২০২২ বিশ্বকাপে তার পরিচালনায় দুইটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তার পরিচালনায় ফাইনালে ১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেন চ্যাম্পিয়ন হয়। শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে তার নেওয়া বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে হয়েছে সমালোচনা-বিতর্ক। আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড এবং স্পেনের উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামসের গোল বাতিল হওয়া নিয়ে আলোচনা হয় বেশি।
ভিনচিচ ২০০৭ সালে স্লোভেনিয়ার শীর্ষ লিগ প্রভা লিগা দিয়ে পেশাদার রেফারিং ক্যারিয়ার শুরু করেন। এরপর তিনি একাধিক টুর্নামেন্টে, যেমন চ্যাম্পিয়নস লিগ এবং ইউরোপা লিগে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দেন। ফলস্বরূপ, ২০১০ সালে ফিফার তালিকাভুক্ত রেফারি হন ৪৬ বছর বয়সী ভিনচিচ। মোট ৫১৩ ম্যাচ পরিচালনা করেছেন তিনি।
বিশ্বকাপের ফাইনালের পাশাপাশি, ২০২২ সালের ইউরোপা লিগ ফাইনাল এবং ২০২৪ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালেও ছিলেন ভিনচিচের দায়িত্ব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন