প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চাঁদপুরে গত কয়েকদিন ধরে ইলিশের আমদানি কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও, ক্রেতাদের জন্য আশানুরূপ দাম কমেনি, যা তাদের হতাশ করেছে। বিক্রেতাদের দাবি, অন্যান্য বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ মাছও ঘাটে আমদানি হচ্ছে না, ফলে তাদের লোকসান হচ্ছে।
বুধবার মাছঘাট পরিদর্শন করে দেখা গেছে, স্থানীয় জেলেদের জালে ইলিশের পরিমাণ কম হলেও, সাগর অঞ্চল থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩শ’ থেকে ৪শ’ মণ ইলিশ আমদানি হচ্ছে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, যদিও ইলিশের আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে, তবুও দাম কমেনি। বিক্রেতাদের মতে, অন্যান্য বছরের তুলনায় ইলিশের আমদানি অনেক কম, যার কারণে দাম বেশি হচ্ছে।
ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন জানান, ইলিশের মৌসুম শেষের দিকে। অন্যান্য বছর এই সময় হাতিয়া, সন্দীপ, চর আলেকজান্ডার, পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় অঞ্চল থেকে প্রচুর ইলিশ চাঁদপুর বড় স্টেশন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে আসতো। গত বছর থেকে সেই পরিমাণে ইলিশ আসা একেবারে কমে গেছে। বর্তমানে যে পরিমাণ ইলিশ আমদানি হচ্ছে, তার দাম অনেক বেশি। এর ফলে ব্যবসায়ীদের লোকসান হচ্ছে। এক মাস পর মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শুরু হবে, তখন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে বেচা-বিক্রি বন্ধ থাকবে। এভাবে চলতে থাকলে এক সময় তাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে।
ক্রেতা কুদ্দুছ মুন্সী ও শাহজাহান সিদ্দিকী বলেন, ইলিশের আমদানি বৃদ্ধি পেলেও দাম না কমায় তারা হতাশ। ইলিশের মৌসুম হওয়ায় ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালি, লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মাছ কিনতে চাঁদপুর ঘাটে আসছে। তবে, বাজারে মাছের দাম কমেনি, এবং চাঁদপুরের বাজারে বিক্রেতারা ইলিশের দাম কিছুটা বেশি হাঁকছেন।
বর্তমানে পাইকারি বাজারে ১ কেজি থেকে ১২০০ গ্রামের ইলিশের দাম ৩ হাজার থেকে ৩১০০ টাকা, ১ কেজি ওজনের ২৬০০ থেকে ২৮০০ টাকা, ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রামের ইলিশ ২৩০০ থেকে ২৫০০ টাকা, ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ১৮০০ থেকে ২২০০ টাকা এবং ছোট ১ হালি ৯০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন