প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার আলোচিত ওয়াজেদ আলী প্রধান হত্যার মামলা দীর্ঘ ১৫ বছর পর রায় ঘোষিত হয়েছে। এই মামলায় প্রধান আসামি মামুনুর রশীদ সুমনকে (২৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। আদালত মাামনুর রশীদ সুমনকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দিয়েছেন এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ করেছেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই, ২০২৬) এ কান্ডের রায় ঘোষণা করেন লালমনিরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক এস এম শফিকুল ইসলাম। একই মামলায় খালাস পেয়েছেন অন্যান্য সাত আসামি, যারা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মুক্তি পেয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায় যে, ২০১১ সালে পাটগ্রামে ওয়াজেদ আলী প্রধানকে হত্যার ঘটনাটি ঘটে ও এর পর দীর্ঘ সময় ধরে আদালতে উপস্থাপিত হয় সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক। বিজ্ঞ আদালত মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করার পর এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে প্রধান আসামি মামুনুর রশীদ সুমনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারাতে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় রায় প্রদান করেন।
মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিরা হলেন মোঃ শাহিন পিচ্চি, মোঃ ফরিদুল ইসলাম ভুট্টু, মোঃ নুর আলম, মোঃ লিটন মিয়া, মোঃ রবিউল ইসলাম এবং পলাতক আসামি মোঃ হাফিজুল ইসলাম। আদালত তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস প্রদান করেন এবং জামিনদারের মুচলেকা থেকে তাদের অব্যাহতি দেন।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মামুনুর রশীদ সুমন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত इसी সঙ্গে তাকে সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
এছাড়া, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারা অনুযায়ী, মামলার আসামি যেহেতু কারাবন্দি ছিলেন, তা তার সাজা থেকে কর্তনযোগ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, আদালত মামলার আলামত বিধি মোতাবেক নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।
রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোঃ গোলাম মোস্তফা সন্তোষ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রায়ের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়ার কথা জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন