প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সাক্ষাৎটি সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর এবং সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মার নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করে। গুরুত্বপূর্ণ এই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার।
সাক্ষাৎকালে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সর্বজনীন অধিকারে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সময়ে কক্সবাজারের রামু, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর এবং কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো নিয়ে তিনি তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের হার সবচেয়ে কম, যদিও দু'একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
সাক্ষাৎকালে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ দাবি জানান যে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো জন্য একজন ‘ফোকাল পয়েন্ট’ কর্মকর্তা নির্ধারণ করা হোক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অত্যন্ত সহানুভূতির সাথে দাবিটি বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং তা দ্রুত বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
আলোচনার সময় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর হরিদাস চন্দ্র কর্তৃক রামমন্দির নির্মাণ এবং অ্যাডভোকেট চৈতালী চক্রবর্তী কর্তৃক দেশের সার্বভৌমত্ববিরোধী বক্তব্য প্রদানের বিষয়টি উঠে আসে।
এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও স্বার্থ সুরক্ষাকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে এ ক্ষেত্রে সকল সম্প্রদায়েরই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা আবশ্যক।’ তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন যেকোনো বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড থেকে সকলকে বিরত থাকতে হবে। শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে তিনি সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন