প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তান ও ইরানের মধ্যে গাবদ-রিমদান সীমান্তপথ টানা সাত দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়েছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আবার শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে আটকে থাকা এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের সুযোগ পেয়েছে।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন-এর প্রতিবেদনে রোববার (২৫ অক্টোবর) এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনটি অনুযায়ী, শনিবার সকালে পাকিস্তানের গোয়াদর এলাকার গাবদ-রিমদান সীমান্তপথ দিয়ে বাণিজ্যিক যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। ‘গেট ২৫০’ নামে পরিচিত সীমান্তপথে যেসব পণ্যবাহী ট্রাকের চালানপত্র ১৬ অক্টোবর বা তার আগে ইস্যু করা হয়েছিল, সেগুলোকে পারাপারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
গোয়াদর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মীর নাভিদ জান কালমাতি সীমান্তে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরায় শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শনিবার সকালে সীমান্ত খুলে দেওয়ার পর আমদানি-রপ্তানির পণ্যবাহী ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহন দুই দেশের মধ্যে চলাচল করতে পারছে।
সীমান্তপথ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে কালমাতি বলেন, বাণিজ্য পুনরায় চালু হওয়ায় সীমান্তের দুই পাশে আটকে থাকা ব্যবসায়ী ও পরিবহনকারীরা তাৎক্ষণিক স্বস্তি পাবেন। সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক হলে পাকিস্তানজুড়ে এলপিজির সংকট কমতে পারে। পাশাপাশি জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দামেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে সপ্তাহের শুরুতে হামলার ঘটনার পর সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্থানীয় প্রশাসন। বাণিজ্যিক পণ্যবাহী যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের পর শনিবার সীমান্তটি পুনরায় চালু করা হয়।
বৃহস্পতিবার অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা গাবদ-রিমদান সীমান্তের কাছে আটকে থাকা পণ্যবাহী ট্রাকগুলোতে হামলা চালায়। এতে কয়েক ডজন ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং আরও কয়েকটি ট্রাক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
গত ১৭ অক্টোবর থেকে ট্রাকগুলো সীমান্তে আটকে ছিল। ওই দিন পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গাবদ-রিমদান ও তাফতান—উভয় সীমান্তপথে বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থগিত করে। মন্ত্রণালয় একটি স্মারকলিপির মাধ্যমে ৩ অক্টোবর জারি করা বাণিজ্য আদেশও তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করে নেয়। তবে বাণিজ্য স্থগিতের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি। তথ্যসূত্র: দ্য ডন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন