প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে (আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর) নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সাংবিধানিক পদটি প্রায় আট মাস ধরে খালি রয়েছে।
স্থানীয় সময় সকাল থেকে মুজাফফরাবাদে বিধানসভার সচিবালয়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আঞ্চলিক নিয়ম অনুযায়ী, বিধানসভার ২৭টি ভোট পেয়ে যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবেন, তিনিই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।
ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) সমর্থিত প্রার্থী নজীব নাকি খান বিজয়ের সম্ভাবনা নিয়ে জোরালোভাবে আলোচনা চলছে। তিনি সুধানোতি জেলার একজন সাবেক মন্ত্রী এবং একাধিকবার নির্বাচিত আইনপ্রণেতা।
অন্যদিকে, বিরোধী দল পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) থেকে প্রার্থী হয়েছেন বিধানসভার সাবেক স্পিকার চৌধুরী লতিফ আকবর।
আইন অনুযায়ী, বিধানসভার কোনো সদস্য রাষ্ট্রপতি পদে থাকতে না পারলেও, ৫৩ সদস্যবিশিষ্ট এই বিধানসভায় পিএমএল-এন এবং তাদের মিত্রদের হাতে পর্যাপ্ত আসন থাকায় তাদের প্রার্থীর জয় একরকম নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে।
গত বছরের জানুয়ারি মাসে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি সুলতান মাহমুদ চৌধুরীর মৃত্যুর পর থেকেই পদটি ফাঁকা ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, পদ শূন্য হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও, রাজনৈতিক সমীকরণ এবং সরকারের সময়ক্ষেপণের কারণে তা এতদিন করা হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, নিজেদের অনুকূলে পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এই নির্বাচনে দীর্ঘ বিলম্ব করেছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতার কারণে পুনচ ও সুধানোতি জেলার সাতটি আসনে ভোটগ্রহণ এখনো সম্ভব হয়নি। নিরাপত্তা পুরোপুরি নিশ্চিত না হওয়ায় নির্বাচন কমিশন ওই আসনগুলোতে ভোটের তারিখ ঘোষণা করেনি।
সমালোচকদের মতে, ওই এলাকার মানুষদের ভোটাধিকার থেকে দূরে রাখা একধরনের অন্যায় হলেও, আইনি জটিলতা না থাকায় আজকের নির্বাচন আংশিক বিধানসভার ভিত্তিতে সম্পন্ন হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন