প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সমুদ্র থেকে মাছ ধরা শুরু হবার পরেও মেহেরপুরে সামুদ্রিক মাছের দাম তেমন কোনো প্রভাব দেখাচ্ছে না। বরং বৈরী আবহাওয়ার কারণে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে দেশি মাছের আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর সাথে স-বাঁধার মধ্যে সাদা মাছের সরবরাহও পূর্বের তুলনার তুলনায় কমে গিয়েছে। এর ফলে বর্তমানে বাজারে মাছের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে।
মেহেরপুরের বড়বাজার সংলগ্ন মাছের আড়তে দৈনিক প্রায় দেড় থেকে দুই কোটি টাকার বেচাকেনা হচ্ছে। বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকায়, আর ছোট ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকায়। এছাড়া বাগদা চিংড়ি প্রতি কেজিতে ১০০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
দেখা যায়, দেশি মাছের মধ্যে কৈ, জিওল, টাকি, তারাবাইন প্রজাতির মাছ বাজারে ৮০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইসাথে ছোট চিংড়ি, চেলা ও ময়া জাতের মাছ ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায় বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
অন্যদিকে, স্থানীয়ভাবে পাওয়া সাদা মাছ যেমন রুই, কাতলা, মৃগেল, পাঙ্গাস ও সিলভার কার্প এই মাছগুলো কেজিভেদে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, এবং ছোট এসব মাছ ১৮০ থেকে ২৫০ টাকাতেও পাওয়া যাচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত ১০ দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি মাছের দাম ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে দেশি মাছের ক্ষেত্রে দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেশি বেড়েছে। আমদানি কমে যাওয়ার কারণে বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধি পরিলক্ষিত হচ্ছে।
বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, "মাছের বাজার স্বাভাবিক হতে আরও কিছু সময় লাগবে। বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি বাড়লে মাছ ধরা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে আমদানি কমে গেছে এবং দাম বেড়ে যাচ্ছে।"
এদিকে সাধারণ ক্রেতারা বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন