প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কানাডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) ক্লাব ক্যাভালরি এফসির সঙ্গে সম্পর্ক চুকে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ক্লাব ফুটবলে গৃহবন্দী জীবন কাটাচ্ছিলেন শমিত শোম। অবশেষে তার নতুন ঠিকানার হদিস মিলেছে।
ফুটবল অঙ্গনের খবর অনুযায়ী, পেলে এবং ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ারের মতো কিংবদন্তিদের সাবেক ক্লাব যুক্তরাষ্ট্রের ‘নিউ ইয়র্ক কসমস’-এ যোগ দিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই মিডফিল্ডার।
গত জানুয়ারিতে তিনি ক্যাভালরি এফসির সঙ্গে দীর্ঘ তিন বছরের জোরালো সম্পর্কের ইতি টানেন। ২০২৬ মৌসুমের দলবদলের আগে ক্লাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে তার বিদায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে। এরপর থেকেই পরবর্তী ক্লাবের খোঁজে ছিলেন এই তারকা ফুটবলার।
সামিতের সম্ভাব্য ক্লাব নিউ ইয়র্ক কসমস বর্তমানে আমেরিকান ফুটবলের তৃতীয় স্তরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এই বিশ্বখ্যাত ক্লাবের হয়ে ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত মাঠ মাতিয়েছিলেন বিশ্ব ফুটবলের রাজা পেলে। সেই পথ ধরেই পরবর্তীতে কিংবদন্তি বেকেনবাওয়ারও এই ক্লাবে ভিড়েছিলেন। তবে শমিতের কসমসে যোগদানের খবরটি যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুঙ্গে রয়েছে, কিন্তু খেলোয়াড় কিংবা ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শমিতের পথচলাটা বেশ বৈচিত্র্যময় হয়েছে। ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি কানাডা জাতীয় দলের জার্সিতে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলেন। তবে গত বছর তিনি বাবার মাতৃভূমি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। এরপরই লাল-সবুজ পতাকার প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান।
গত বছরের জুনে এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের তৃতীয় রাউন্ডে বাংলাদেশের হয়ে তার ঐতিহাসিক অভিষেক ঘটে।
লাল-সবুজের জার্সিতে প্রথম গোল পেতে তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল প্রায় চার মাস। এশিয়ান কাপ কোয়ালিফায়ার্সে হংকংয়ের বিপক্ষে ৪-৩ গোলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ম্যাচে তিনি বাংলাদেশের হয়ে নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক গোলটি ঝুলিতে পুরেন শমিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন