প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কানাডাজুড়ে দাবানল পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশজুড়ে প্রায় ৯০০টি দাবানল সক্রিয় রয়েছে। চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত ৩৭ লাখ হেক্টরেরও বেশি বনভূমি আগুনে পুড়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে অন্টারিওসহ দেশের বিভিন্ন উত্তরাঞ্চল। সেখানকার একাধিক আদিবাসী সম্প্রদায়ের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
কানাডা সরকার জানিয়েছে, দাবানল পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ফেডারেল সরকার প্রদেশ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। আগুন নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে সহায়তা প্রদান করতে জরুরি সেবা অব্যাহত রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ এবং শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে দাবানলের ঝুঁকি বেড়েছে। এদিকে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ধারাবাহিকভাবে বড় ধরনের দাবানলের পরিপ্রেক্ষিতে দেশে একটি জাতীয় দাবানল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা গঠনের দাবিও জোরালো হয়েছে।
পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে কানাডা সরকার। আগুনের বিস্তার ঠেকাতে এবং ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে দাবানলের ধোঁয়ায় আলবার্টা, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, টরন্টোসহ কানাডার বিভিন্ন অঞ্চল এবং যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বায়ুদূষণ বেড়েছে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, ফেডারেল সরকার প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন