প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ইতিমধ্যে উপস্থিত হয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকটি দেশের প্রেসিডেন্টও অংশ নিয়েছেন। তবে খামেনির শেষ বিদায়ে সৌদির কেউ উপস্থিত ছিলেন না।
আয়াতুল্লাহ খামেনিকে শেষ বিদায় জানানোর জন্য আন্তর্জাতিকভাবে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে ইরান। শুক্রবার (৩ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে এটি শুরু হয়েছে। তবে আজ শুধুমাত্র বিদেশি প্রতিনিধিদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য খামেনির মরদেহ রাখা হয়েছে। কাল শনিবার থেকে সাধারণ মানুষ তার কফিন দেখার জন্য উন্মুক্ত স্থানে নিয়ে যাওয়া হবে।
সংবাদমাধ্যম হাউজ অব সৌদ জানিয়েছে, ১৪ মাস আগে ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে নিহত হওয়ার পর সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার জানাজায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু খামেনির মৃত্যুর পর সৌদি থেকে কেউ আসেনি।
শুক্রবার পর্যন্ত সৌদি তাদের কোনো প্রতিনিধিকে চূড়ান্ত করেনি। এছাড়া গালফ অঞ্চলের দেশগুলোও খামেনির শেষ বিদায়ে নিজেদের প্রতিনিধিদের পাঠায়নি। এর মধ্যে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার এবং বাহরাইন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর ইরান পাল্টা হামলা হিসেবে এসব দেশে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায়।
হামলার দিনেই খামেনি তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে নিহত হন। কিন্তু গালফ অঞ্চলের দেশগুলো এখনও পর্যন্ত তার মৃত্যুতে আনুষ্ঠানিক শোক জানায়নি। এর মাধ্যমে তারা মূলত মোজতবা খামেনিকে নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে অস্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করছে।
সূত্র: হাউজ অব সৌদ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন