প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাংবাদিক নিহারেন্দু চক্রবর্তী ধর্ম-বর্ণের বিভেদ ভুলে সম্প্রীতির একটি অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছেন। তিনি, একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী হয়েও, ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এই সাংবাদিক মহানবী (সা.)-এর প্রশংসায় জনপ্রিয় নাত ‘ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলোরে দুনিয়ায়, আয়রে সাগর আকাশ বাতাস দেখবি যদি আয়’ পরিবেশন করে মুসলিমদের হৃদয়ে এক বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন।
সম্প্রতি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে নাতটি পরিবেশন করেন। এই সময় তিনি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং মহানবী (সা.)-এর জীবন, আদর্শ ও মানবতার শিক্ষার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন।
নিহারেন্দু চক্রবর্তীর কণ্ঠে নাতটি শুনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক মুসলিম শ্রোতা প্রশংসা করেন। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এমন প্রকাশকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
নাত পরিবেশনের সময় নিহারেন্দু চক্রবর্তী মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার কথা তুলে ধরেন। তাঁর পরিবেশনায় ফুটে ওঠে ধর্মীয় সম্প্রীতি, মানবিকতা এবং একে অপরের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বার্তা।
তিনি বলেন, "ধর্ম মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য নয়; বরং মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, মানবিকতা ও শান্তির শিক্ষা দেয়।" মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মানবতার জন্য যে শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণের শিক্ষা রেখে গেছেন, তা সবার জন্য অনুকরণীয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে তাঁর এই শুভেচ্ছা ও নাত পরিবেশনকে সামাজিক সম্প্রীতির একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে একজন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হয়েও অন্য ধর্মের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ করায় তাঁর এই উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তাঁর লাইভের ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে ‘ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ’ নাতটি পরিবেশন করছেন। তাঁর কণ্ঠে নাতটি শুনে অনেকেই আবেগাপ্লুত হন এবং কমেন্টে তাঁর প্রশংসা করেন।
নিহারেন্দু চক্রবর্তীর এমন উদ্যোগে আবারও উঠে এসেছে বাংলাদেশের চিরাচরিত ধর্মীয় সম্প্রীতির চিত্র—যেখানে নিজ নিজ ধর্ম পালন করার পাশাপাশি অন্যের ধর্ম ও বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের সংস্কৃতি দীর্ঘদিনের।
স্থানীয় মুসল্লিরা বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এমন দৃষ্টান্ত সমাজে আরও ছড়িয়ে পড়া প্রয়োজন। একজন হিন্দু সাংবাদিকের কণ্ঠে মহানবী (সা.)-এর প্রশংসায় নাত পরিবেশন নিঃসন্দেহে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির একটি সুন্দর বার্তা বহন করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন