প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বড়খেরী ইউনিয়নের মাহমুদা বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ভরাডুবি ঘটেছে।
বিদ্যালয় থেকে ৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে পাস করেছে মাত্র ১০ জন শিক্ষার্থী।
অর্থাৎ, পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৪৪ জন ফেল করেছে। এ বছর বিদ্যালয়টির পক্ষ থেকে কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ অর্জন করতে পারেনি।
বিদ্যালয়ের ফলাফলে ভরাডুবির কারণে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা প্রলয়িত হয়েছে। ৪৪ জনের অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান, পাঠদান পদ্ধতি এবং পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির ওপর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা চলছে।
একই পরিস্থিতি দেখা গেছে ওই ইউনিয়নের রঘুনাথপুর পল্লী মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়, চরনেয়ামত জনতা মডেল একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়, সুলতানা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং পূর্ব চরমেহার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে। গত বছরের মতো এবারও এসএসসির রেজাল্টে এই ৫টি বিদ্যালয়ের পাসের হার নিম্নমুখী।
অভিভাবকরা বলছেন, একটি বিদ্যালয় থেকে এত সংখ্যক শিক্ষার্থীর ফেল করা একটি গুরুতর বিষয় এবং এর সঠিকভাবে পর্যালোচনা প্রয়োজন। বিশেষ করে জানা উচিত, কোন পরিচয়গুলি শিক্ষার্থীরা বেশি অকৃতকার্য হয়েছে এবং নিয়মিত পাঠদান ও মূল্যায়ন কার্যক্রম কেমন ছিল। পরীক্ষার পূর্বের প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখা উচিত। প্রধান শিক্ষকসহ সকলকে জবাবদিহির আওতায় আনার বিষয়টি জোরালোভাবে দাবী করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ৩ জন অভিভাবক মন্তব্য করেন, ফলাফলের খারাপ হওয়ার পিছনে শিক্ষার্থীরা দায়ী হলেও শিক্ষকরা এর চেয়ে বেশি দায়ী। তারা শিক্ষা পরিবেশ তৈরীর ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছেন। সরকারের দেওয়া বেতনভাতা গ্রহণ করে শিক্ষাকে বাণিজ্যে পরিণত করার ফলে এমন বিপর্যয় ঘটেছে।
বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক জহির উদ্দিন মো. বাবর হতাশা প্রকাশ করে বলেন, গতবছরেও এ ধরনের বিপর্যয় ঘটেছিল। এ বছরও একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকটকেই এ সমস্যা জন্য দায়ী করছেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোস্তফা হোসেন জানিয়েছেন, ফলাফলে ভরাডুবি হওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের যে কোনো মাধ্যমে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন