প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শেষ ষোলোর নকআউট পর্বে কানাডার টরন্টোর মাঠে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম শ্বাসরুদ্ধকর এক ম্যাচ দেখা গেছে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো এই ম্যাচে চারটি গোল বাতিল করা হয়। এর মধ্যে ক্রোয়েশিয়ার তিনটি গোল এবং পর্তুগিজ তারকা রোনালদোর একটি গোল বাতিল করা হয়েছে।
টরন্টোতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ক্রোয়েশিয়া এগিয়ে যায়। পরে অফসাইডের কারণে তাদের আরেকটি গোল বাতিল হয়। এরপর পেনাল্টি প্রাপ্তি হয় পর্তুগালের। স্পটকিকে দাঁড়িয়ে ৪১ বছর বয়সী রোনালদো কোনো ভুল করেননি।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে ১-১ সমতা থাকার কারণে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে যায়। অতিরিক্ত সময়ের যোগ করা চার মিনিটে রাফায়েল লিয়াওয়ের নিখুঁত ক্রস থেকে লাফিয়ে উঠে দুর্দান্ত হেড দিয়ে পর্তুগালকে এগিয়ে দেন গনসালো রামোস।
যেখানে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের শেষ মুহূর্তে গোল পায়। ১০৩ মিনিটের মাথায় পর্তুগালের ডি-বক্সে উড়ে আসা একটি দূরপাল্লার পাস বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মারিও পাসালিচ বলটি বাড়ান জোসকো গভার্দিওলের দিকে, যিনি স্লাইডিং শটে গোল করেন।
তবে অনফিল্ড রেফারি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির সাহায্য নেন। শুরুতে মনে হয়েছিল যে, পাসালিচ যখন বলটি রিসিভ করেন, সেটি পর্তুগিজ ডিফেন্ডার রেনাতো ভেইগার গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে এসেছিল, যা পাসালিচকে ‘অনসাইড’ রাখত।
কিন্তু ভিএআর রিভিউয়ের পর গোলটি বাতিল করা হয়। পরে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ বিষয়টি স্পষ্ট করে জানায়। ফলে ২-১ গোলে হেরে ক্রোয়েশিয়া বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়। এই জয়ের মাধ্যমে পর্তুগাল আগামী ৬ জুলাই ডালাসে স্পেনের মুখোমুখি হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন