প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্পেনের সবচেয়ে বড় তৈরি পোশাক প্রদর্শনী ‘বার্সেলোনা টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬’-এ বাংলাদেশ থেকে আগত প্রতিনিধিদল এবং স্পেনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, সামাজিক, রাজনৈতিক ও কমিউনিটি নেতাদের নিয়ে একটি জমকালো নৈশভোজ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভার আয়োজন করা হয় ভবিষ্যৎ অংশগ্রহণ পরিকল্পনা ও বাজার সম্প্রসারণ বিষয়ে আলোচনা করার জন্য।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বার্সেলোনার একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এবং স্পেনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদুর রহমান এনডিসি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাতালানিয়া বিএনপির সভাপতি শফিউল আলম, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ারেছ হোসেন, স্পেনে বাংলাদেশের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর রুহুল কুদ্দুস, প্রথম সচিব (শ্রম) মাহিদ আল হাসান এবং বিকেএমইএ পরিচালক মো. আব্দুল হান্নান। বাংলাদেশ থেকে আসা সকল এক্সিবিটরস, বার্সেলোনার বাংলাদেশি সামাজিক, রাজনৈতিক ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী এবং আয়োজক প্রতিনিধিরাও এতে অংশগ্রহণ করেন।
মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশি পণ্যের ব্র্যান্ডিং এবং এক্সপোতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রদূত মাসুদুর রহমান এনডিসি প্রধান অতিথির বক্তব্যে উল্লেখ করেন, "ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের অংশীদারিত্ব আরও বাড়াতে দূতাবাস ও ইপিবির পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবসায়িক, কূটনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।"
বাংলাদেশ থেকে আসা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা জানান, স্পেনের এই মেলা ইউরোপীয় ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। তাঁরা ভবিষ্যতে মেলার আকার ও অংশগ্রহণ বাড়াতে বিভিন্ন মূল্যবান পরামর্শ দেন এবং ইপিবি ও বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
কমিউনিটি নেতারা এবং স্পেন প্রবাসী ব্যবসায়ীরা মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান। তারা বলেন, স্পেনে বাংলাদেশি টেক্সটাইল পণ্যের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। ভবিষ্যতে এই এক্সপোতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও সুদৃঢ় ও বড় পরিসরে নিশ্চিত করার জন্য ইউরোপীয় ব্যবসায়ীদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে সব ধরনের লজিস্টিক ও সামাজিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে আগামী দিনগুলোতে মেলায় বাংলাদেশের আরও সফল উপস্থিতি নিশ্চিত করতে একটি দীর্ঘমেয়াদী সমন্বিত রোডম্যাপ তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়। শেষে, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সফল আলোচনার পর নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন