প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের তালিকায় অবশেষে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জাহিদ হাসানের নাম প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার সকালে পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকায় তার নাম দেখা যায়।
এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে জাহিদ হাসানের ‘ভেরিফিকেশনে’ বাদ পড়ার বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছিল। এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। মঠবাড়িয়া উপজেলায় সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ৮৩ জনের মধ্যে জাহিদের (২৮) মেধাক্রম ছিল ৫৪তম। তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কোটাতেও আবেদন করেছিলেন।
নিয়োগপত্র না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছিলেন জাহিদ ও তার পরিবারের সদস্যরা। সে সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, পুলিশ ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) ‘ভেরিফিকেশনে’ তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
আজ সকালে নিয়োগপত্রের তথ্য জানার জন্য পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হন জাহিদ। পথে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে ঢুকে নিয়োগের তালিকায় নিজের নাম দেখতে পান। পরে তিনি পরিবারের সদস্য ও গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানান।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জাহিদ বলেন, ‘কী ভালো লাগছে, ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। আমার চেয়ে বাবা-মা, বড় বোন বেশি খুশি হয়েছেন। আমি পড়াশোনা শেষে ঢাকায় ছিলাম। এই চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ঢাকা থেকে বাড়িতে চলে আসি। আমার আব্বু-আম্মুর ইচ্ছা ছিল যেন বাড়িতে থেকেই কোনো সরকারি চাকরি করি। এখন আমি পরিবারের সঙ্গেই থাকতে পারব। খুবই ভালো লাগছে।’
এ বিষয়ে প্রশাসন থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে জাহিদ জানান, আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ যোগাযোগ করেননি। তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদুল ইসলাম ফোন করে তার খোঁজখবর নিয়েছেন।
পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২৪৪ জন প্রার্থীর মধ্যে দুই ধাপে মোট ২৪২ জন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বখতিয়ার রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারছি না। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যেটা ভালো মনে করেছেন, সেভাবে কাজ করেছেন।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন