প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ম্যাচটি ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল। কারণ, রেফারির শেষ বাঁশির অপেক্ষা ছিল। কিন্তু ঠিক তখনই শেফিল্ড ইউনাইটেডের হৃদয় ভেঙে যায়। এর পেছনে ছিলেন ইবাউ অ্যাডামস।
৮৯ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে গোলটি করেন অ্যাডামস। ফলে পোর্টসমাউথ ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। এই পরাজয়ে শেফিল্ড ইউনাইটেডের হতাশা স্বাভাবিক।
তবে শেফিল্ডের মধ্যে হতাশার পাশাপাশি ক্ষোভও রয়েছে। এই ক্ষোভের কারণ হামজা চৌধুরীকে প্রদত্ত বিতর্কিত লাল কার্ড। বাংলাদেশি মিডফিল্ডার ৪৪ মিনিটে দুটি হলুদ কার্ড না দেখালে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত।
১০ জন নিয়ে অর্ধেকের বেশি সময় লড়াই করে শেফিল্ড, যা তাদের দৃঢ়তার প্রমাণ দেয়। ৫৮ মিনিট পর্যন্ত তারা ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল। ম্যাচ শেষে কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার রেফারি অলিভার ল্যাংফোর্ডের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ম্যাচের ৩৩ মিনিটে হামজা প্রথম হলুদ কার্ড পান। ১১ মিনিট পরে পোর্টসমাউথের উইঙ্গার রায়ান কাভুমা-ম্যাককুইনকে ফাউল করার কারণে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডে লাল কার্ড দেখানো হয়। হামজাকে নাটমেগ করার সময় রায়ান বাংলাদেশি মিডফিল্ডারের সাথে ধাক্কা খেয়ে মাটিতে পড়েন। এই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শেফিল্ডের কোচ।
ওয়াইল্ডার বলেন, ‘হামজা যাবে কোথায়? সে কি মিস্টার ক্লেপল (রেন্টাগোস্ট নাটকের চরিত্র) হুট করে অদৃশ্য হয়ে যাবে? মাঠজুড়ে এমন ঘটনা ঘটছে। স্যাম ম্যাককালামকে তিন-চারবার বাধা দেওয়া হয়েছে। হামজা আসলে কোথায় যাবে, সেটাই বুঝতে পারছি না। আমাকে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ হয়তো যা বলতে চাই, তা বলতে পারছি না। ম্যাচের শেষ মুহূর্তেও আমাদের দলের এক খেলোয়াড়কে বক্সে টেনে ধরা হয়, স্পষ্ট দেখা গেছে, জার্সি প্রায় খুলে আসার উপক্রম হয়েছিল।’
ওয়াইল্ডার দাবি করেন, হামজাকে লাল কার্ড দেখানোর কথা ছিল না। তিনি বলেন, ‘কথা হচ্ছিল রেফারি তাকে লাল কার্ড দেখাবেন না। দেখলাম প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়েরা গিয়ে ভিড় করছে; সেটা গেমসম্যানশিপের অংশ হতে পারে। মনে হচ্ছে, আমাদের প্রতি কিছুটা অবিচার করা হয়েছে।’
হামজা লাল কার্ড দেখানোর আগে ৪১ মিনিটে জ্যাক সোয়ানসোনের গোলে পোর্টসমাউথ লিড নেয়। তার মাঠ ছাড়ার পর ৫৪ মিনিটে আদ্রিয়ান সেগেচিচ ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফেরে শেফিল্ড। ৫৯ মিনিটে দলের হয়ে প্রথম গোল করেন জাপেট তানগাঙ্গা। আর ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরানো গোলটি করেন থমাস ক্যানন। শেষ মুহূর্তে শেফিল্ডের হৃদয় ভাঙেন অ্যাডামস।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন