প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বহুল কাঙ্ক্ষিত নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় বেতন পেতে যাচ্ছেন। একইসঙ্গে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোর সুবিধা পাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সরকারি চাকরিজীবীরা অক্টোবর মাসের বেতন নবম পে স্কেল অনুযায়ী পাবেন। এর সঙ্গে তিন মাসের বকেয়া বেতনও প্রদান করা হবে।
তবে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন এখনই জারি হচ্ছে না বলে জানা গেছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, "এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা যাতে দ্রুত নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন-ভাতা পেতে পারেন, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে।"
নতুন পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন প্রক্রিয়া এগিয়ে গেলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা হতাশায় রয়েছেন। তাদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির কথা বলা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যায়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এ বিষয়ে আদেশ জারি করবে অর্থ বিভাগ।
অন্যদিকে, এটি একটি প্রক্রিয়ার বিষয় বলে জানিয়েছেন অর্থবিভাগের কর্মকর্তারা। তারা জানান, আদেশটি কবে হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগবে।
অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং বিচার বিভাগীয় কর্মীদের নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়নে নভেম্বর বা ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে স্কেল প্রজ্ঞাপন বিলম্বের পেছনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব প্রতিষ্ঠানের বেতন প্রক্রিয়ায় অ্যানালগ পদ্ধতিকে দায়ী করছেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বেতন হিসাব করার প্রক্রিয়া হাতে-কলমে করতে হয়। এই কারণে প্রজ্ঞাপন জারিতে বিলম্ব হচ্ছে।
গত ১ সেপ্টেম্বর, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে বলেছিলেন, "এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নতুন বেতন কাঠামোতে বেতন দেওয়া হবে।"
বর্তমানে সারা দেশে ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন প্রায় ৪ লাখ, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন পৌনে ২ লাখের মতো এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারী রয়েছেন। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয় বেশি, তারা এমপিওর বাইরেও শিক্ষক ও কর্মচারীদের টাকা দেয়। তবে বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সেই সক্ষমতা থাকে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন