প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্প কারখানায় ইটিপি প্ল্যান্টগুলো যথাযথভাবে ব্যবহার না হওয়ায়, রাজধানীসহ আশপাশের জেলার সবগুলো নদীতে বর্জ্য নিষ্কাশন হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত পরিবেশ বিষয়ক বিতর্ক উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, বর্জ্য নিষ্কাশন সমস্যা সমাধানে সরকার সবগুলো পাওয়ার প্ল্যান্টকে অনলাইন ট্র্যাকিংয়ে আনার ব্যবস্থা করছে। ইতিমধ্যে দূষণের উৎসগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। নদী রক্ষায় যে সব প্রতিষ্ঠানে ইটিপি ব্যবহার হচ্ছে না, সেগুলো কার্যকর করতে দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পরিবেশ দূষণে ইটভাটাকে অন্যতম কারণ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ৮ হাজার ইটভাটার মধ্যে ৫ হাজারই অবৈধ। মাত্র ২ হাজার ৯০০ বৈধ ইটভাটা রয়েছে। ইমারত নির্মাণে দেশে ইটের বিকল্প হিসেবে ব্লকের ব্যবহার এখনও শতভাগ নিশ্চিত না হওয়ায় দূষণ বন্ধ রোধ করা যাচ্ছে না।’
পরিবেশ দূষণ রোধে সরকার এ বিষয়টিও আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করছে বলে জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
যুক্তির সমীরণে প্রাচ্যের ডান্ডি প্রতিপাদ্যে ৮ দিনব্যাপি বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনালে বাতানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কুতুবআইল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিজয়ী হয়। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন আয়োজিত বিতর্ক উৎসব অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আবুল কালাম, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন