প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন ছোট ও বড় হাটবাজারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যাপক ব্যবহার ও বাণিজ্য চলছে। এর ফলে পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার পাশাপাশি সামান্য বৃষ্টিতে নালা-নর্দমা আটকে গিয়ে সৃষ্টি হচ্ছে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলো যেমন সাহেবাবাদ বাজার, ব্রাহ্মণপাড়া সদর বাজার, মাধবপুর বাজার, চান্দলা বাজার, বড়ধুশিয়া বাজার এবং সিদলাই বাজারে এখন পলিথিনের ব্যাপক ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। শাকসবজি, মাছ-মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্য কেনাকাটায় ক্রেতা-বিক্রেতারা নির্বিচারে ক্ষতিকর এই পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করছেন।
হাটবাজারের বর্জ্য হিসেবে ফেলা এসব পলিথিন জমে যাচ্ছে ড্রেন ও নালা-নর্দমায়। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ছে এবং রাস্তায় পানি জমে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
পলিথিনের এই অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়িক নেতারা। ব্রাহ্মণপাড়া সদর পশ্চিম বাজারের সাধারণ সম্পাদক কাজল সরকার মন্তব্য করেন, "পলিথিনের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে বাজারের পানি নিষ্কাশনের ড্রেনগুলো পলিথিনে ছেয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের সচেতনতার পাশাপাশি প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ ছাড়া এটি বন্ধ করা সম্ভব নয়।"
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন্নী ইসলাম জানান, বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রি ও ব্যবহারের বিরুদ্ধে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হবে। তিনি বলেন, "পলিথিন ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত এবং বাজারে যারা এটি ব্যবহার করছেন, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুতই ভ্রাম্যমাণ আদালতের কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
প্রশাসনের এ আশ্বাস দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি বাজারে বিকল্প পাট বা কাগজের ব্যাগের সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন