প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লিওনেল মেসি একজন ফুটবল জাদুকর, যিনি ব্যক্তিগত অর্জনের মুকুটে আর একটি পালক যুক্ত করার অপেক্ষায় আছেন। বর্তমানে ২০২৬ বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক এখন হাতছোঁয়া দূরত্বে অবস্থান করছেন একটি বিশ্বরেকর্ডের। একটিমাত্র গোলে সহায়তা করলেই তিনি এককভাবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়বেন।
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৮টি অ্যাসিস্ট নিয়ে মেসি ও আর্জেন্টিনার আরেক কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন। এই দুই প্রজন্মের দুই মহানায়কের নাম বিশ্বমঞ্চে একই বিন্দুতে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মেসি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৮টি অ্যাসিস্ট করেছেন। ২০০৬ সাল থেকে শুরু করে ২০২২ সালের মধ্যে পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলে তিনি এ মাইলফলক স্পর্শ করতে সক্ষম হয়েছেন। অন্যদিকে, ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ম্যারাডোনাও তার ক্যারিয়ারে ৮টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন।
‘অপটার’ নামের আধুনিক ফুটবলের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণকারী সংস্থা জানিয়েছে, ১৯৬৬ সাল থেকে বিশ্বকাপের অ্যাসিস্টের পরিসংখ্যান আনুষ্ঠানিকভাবে সংরক্ষিত হয়ে আছে। তাই আধুনিক যুগের রেকর্ড বইয়ে মেসি ও ম্যারাডোনা সমান অবস্থানে রয়েছে।
জার্মানির ফ্রিটজ ওয়াল্টার বিশ্বকাপে ১৯৫৪ এবং ১৯৫৮ সালের মধ্যে মোট ৯টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন বলে তথ্য রয়েছে, কিন্তু এটি আধুনিক ও সুসংগঠিত রেকর্ডিং শুরুর (১৯৬৬) আগের হয়ে থাকায় মৌলিকভাবে সেটি নিয়ে বিতর্ক ও মতভেদের সৃষ্টি হয়েছে। সুতরাং বর্তমান ফুটবল বিশ্বে মেসি ও ম্যারাডোনা যৌথভাবে শীর্ষস্থানে রয়েছেন।
কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের ক্ষেত্রে মেসির গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। সেই বিশ্বকাপেই তিনি ৩টি অ্যাসিস্ট করে তার পরিসংখ্যানকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে তার সামনে রয়েছে ম্যারাডোনাকে ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ। আগামীকাল আলেজিয়ার বিরুদ্ধে নিজের নাম সবার ওপরে লেখার সুযোগ পাচ্ছেন মেসি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন