প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের কনকর্ড, নিউ হ্যাম্পশায়ারে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট বা আইসিই-এর অভিযানে আটক হয়েছেন ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা বাহিনীর সাবেক এক কর্মকর্তা। অ্যালিসন অ্যালন নামের ওই রূপান্তরকামী নারী ইসরায়েলের অত্যন্ত গোপনীয় এবং বিশেষ প্রযুক্তিনির্ভর ইউনিট ৮১-এর সাবেক সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসনের মুখোমুখি হয়েছেন।
আইসিই কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে, অ্যালিসন একজন অপরাধী অবৈধ অভিবাসী। তার অপরাধের ইতিহাসে মারাত্মক অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখানো, অপহরণ এবং মাদক রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ছাড়ার পর তিনি অ্যামাজন ও মাইক্রোসফটের মতো শীর্ষস্থানীয় মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেছিলেন।
গ্রেপ্তার ও কারাদণ্ডের পুরো ঘটনাটি শুরু হয় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। নিউ হ্যাম্পশায়ারের ডোভার শহরে এক পুরুষ পরিচিত ব্যক্তিকে অপহরণ করার অভিযোগে অ্যালিসন গ্রেপ্তার হন। অ্যালিসনের সন্দেহ ছিল, ওই ব্যক্তি তাঁর পানির বোতলে জিএইচবি নামক ডেট রেপ ড্রাগ মিশিয়েছিলেন। ব্রায়ান লেভি নামের আরেক বন্ধুর পরামর্শে তিনি ওই ব্যক্তিকে নিজ বাড়িতে আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরিকল্পনা করেছিলেন। পরবর্তীতে পুলিশ অ্যালিসনের বাড়িতে একটি সন্দেহজনক গাড়ির বিষয়ে তদন্ত করতে গিয়ে ভুক্তভোগীর আর্তনাদ শুনতে পায়।
পুলিশ তাঁর ঘর থেকে দুটি লোড করা হ্যান্ডগান উদ্ধার করে, যার মধ্যে একটিতে সাইলেন্সার লাগানো ছিল।
বিচার প্রক্রিয়ায় অ্যালিসন নারী হিসেবে পরিচয় দিলেও তাকে পুরুষ সন্দেহভাজন হিসেবেই বিচার করা হয়। গত ৭ জুলাই আদালত তাকে দুই থেকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেন। কারাগারে থাকাকালীন তিনি রূপান্তরকামী চিকিৎসা সেবা এবং পুরুষ কারাগার থেকে নারী কারাগারে স্থানান্তরের দাবিতে আইনি লড়াই শুরু করেছিলেন। তবে গত ২০ আগস্ট তাকে কারাগার থেকে মুক্তি না দিয়ে সরাসরি মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে সঁপে দেওয়া হয়। বর্তমানে আইসিই তাঁকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া চালাচ্ছে।
সূত্র: মিডলইস্ট আই
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন