প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘাতের বিস্তার ঘটার ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব আন্তর্জাতিক তেলের বাজারেও দৃশ্যমান হয়েছে। বুধবার লেনদেনের শুরুতে, দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলার পর অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে যায়।
বাজার সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন যে, যদি সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে। বিশেষ করে, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়ায় তেলের বাজারে ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৭ সেন্ট বা ০ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়ে ৯৫ দশমিক ৫২ ডলারে পৌঁছেছে।
একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতি ব্যারেলে ৮০ সেন্ট বা ০ দশমিক ৮৯ শতাংশ বৃদ্ধির পর এর দাম দাঁড়িয়েছে ৯১ দশমিক ০২ ডলার।
মঙ্গলবারও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গিয়েছিল। ওই দিন ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই উভয় ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ ডলারের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল। ব্রেন্টের ক্ষেত্রে এটি ২৪ জুলাইয়ের পর এবং ডব্লিউটিআইয়ের জন্য ২৩ জুলাইয়ের পর সবচেয়ে বড় এক দিনের মূল্যবৃদ্ধি ছিল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের মাত্রা যদি আরও বৃদ্ধি পায়, তাহলে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহের ঝুঁকি স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ কারণে, মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক পরিস্থিতি এখন শুধুমাত্র আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয় নয়; বরং এটি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য একটি বড় ধরনের অনিশ্চয়তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন