প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপে ম্যাচ চলাকালীন যখন স্টেডিয়ামে অননুমোদিত পতাকা আনা হবে, অথবা জাতীয় দলের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হলে, তখন ইরান বিশ্বকাপ ম্যাচ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। এই তথ্য ইরানের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, ইতোমধ্যে দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী আহমদ দোনিয়ামালি এর বরাত দিয়ে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দোনিয়ামালি বলেছেন, আমরা ফিফাকে জানিয়েছি যে, বিশ্বকাপে ইরান যে স্টেডিয়ামে খেলবে, সেখানে যদি কোনো অনানুষ্ঠানিক পতাকা আনা হয় বা জাতীয় দলের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়, তাহলে দলের ম্যানেজার অবশ্যই ম্যাচটি বন্ধ করার জন্য দায়ী থাকবেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে মিশরের বিরুদ্ধে ম্যাচ চলাকালীন স্টেডিয়ামে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে না।
এর আগে, ইরান ও মিশরের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলো ফিফাকে অনুরোধ জানিয়েছিল, যাতে সিয়াটল ম্যাচের সময় এলজিবিটিকিউ+ প্রাইড-সম্পর্কিত কোনো কার্যক্রম অনুষ্ঠিত না হয়। সিয়াটলের প্রাইড উইকেন্ডের সঙ্গে সংযুক্তি রূপে স্থানীয় আয়োজকরা ম্যাচটিকে একটি ‘প্রাইড ম্যাচ’ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।
এপ্রিল মাসে ভ্যাঙ্কুভারে ফিফা কংগ্রেসের বাইরে বিক্ষোভকারীরা ফিফার কাছে ইরানি ফুটবল দলকে নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। কারণ, তারা দাবি করেছেন যে, দলটি ইরানি জনগণের পরিবর্তে ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করছে।
ইরানির ফুটবল দলটি এখন সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। মঙ্গলবার ইরানের ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে যে, বিশ্বকাপ শুরুর কয়েকদিন আগে তাদের টিকিট বরাদ্দ বাতিল করা হয়েছে। ফলে যেসব সমর্থক পূর্বে থেকেই ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন, তারা তাদের দলের ম্যাচগুলোতে যোগ দিতে পারবে না।
ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি জানিয়েছে, বর্তমানে মেক্সিকোর টিহুয়ানায় প্রশিক্ষণরত ইরানের দলটি গ্রুপ পর্বের প্রতিটি বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে।
বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘জি’-তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে ইরান। এরপর ২১ জুন তারা বেলজিয়ামের বিপক্ষে এবং ২৬ জুন সিয়াটলে মিশরের মুখোমুখি হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন