প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় মন্তব্য করেছেন যে, সরকার আসন্ন দুর্গোৎসবকে ঘিরে আশঙ্কায় রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই উৎসবের সময় ফ্যাসিস্টের দোসররা যে কোনো মুহূর্তে নাশকতা ঘটিয়ে জাতিগত ঐক্যকে বিনষ্ট করতে এবং রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করতে পারে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তার বক্তব্যে বলেন, ফ্যাসিস্টের দোসরদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় আমাদের সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। তারা যেখানে অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ড ঘটানোর চেষ্টা করবে, সেখানেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
শুভাঢ্যা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন নিয়ে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা মন্তব্য করেন, ইতিহাস মুছে ফেলা একটি ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। যেকোনো ইতিহাস মুছে ফেলা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও ঘৃণিত কাজ। যারা ঐতিহ্যবাহী ডক্টর পি কে রায় উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে শুভাঢ্যা উচ্চ বিদ্যালয় করেছেন, তাদের তিনি ধিক্কার জানান।
তিনি বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিচালনা কমিটিকে পূর্বের নাম ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমি বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির কাছে অনুরোধ রাখব, তারা যেন এই বিদ্যালয়ের নাম পুনরায় ‘ডক্টর পি কে রায় উচ্চ বিদ্যালয়’ করেন। ডক্টর পি কে রায় ছিলেন একজন অত্যন্ত উচ্চশিক্ষিত ও গুণী ব্যক্তি। তিনি কলকাতার একটি কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন এবং ব্রিটিশরা তাকে ভারতের শিক্ষা উপদেষ্টা মনোনীত করেছিল। এমন একজন প্রাতঃস্মরণীয় গুণী মানুষকে আমরা অবজ্ঞা করতে পারি না।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি বিমল চন্দ্র মণ্ডল। অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন মোল্লা এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম হোসেন সোহেল উপস্থিত ছিলেন।
সিনিয়র বিএনপি নেতা ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আহসান উল্লাহ চৌধুরী, নফরুল ইসলাম খান আওয়াল, বিএনপি নেতা আতিকুর রহমান মানিক এবং মো. আলী হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন