প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বর্তমান সভাপতি হলেন মহসিন নাকভি। তার মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করা হচ্ছে। গুঞ্জন রয়েছে যে, নাকভির মেয়াদ যদি না বাড়ে, তাহলে আগামী বছরের এপ্রিল মাসে এসিসির সভাপতির চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল।
২০২৭ সালের এপ্রিল মাসে এসিসির সভাপতি হিসেবে মহসিন নাকভির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য নির্বাহী বোর্ডের সর্বসম্মত সমর্থন প্রয়োজন। তবে সূত্রের বরাত দিয়ে ক্রিকবাজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নাকভির পক্ষে সেই সমীকরণ মেলানো প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এশিয়ার পাঁচ পূর্ণ সদস্যদেশের মধ্যে প্রতি দুই বছর পরপর এসিসির সভাপতির দায়িত্ব ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এবারের পালা বাংলাদেশের। বিসিবির প্রধান তামিম ইকবালও এই দায়িত্ব নিতে আগ্রহী এবং এসিসিকে তার মনোভাবের কথা জানিয়ে দিয়েছেন।
এসিসির নির্বাহী বোর্ডে সদস্য হিসেবে রয়েছে ভারত, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। নিয়ম অনুযায়ী, মার্চ থেকে মার্চ পর্যন্ত সভাপতির মেয়াদ নির্ধারিত হলেও মহসিনের ক্ষেত্রে তা ২০২৭ সালের ২ এপ্রিল শেষ হবে। তবে এর আগে মেয়াদ বাড়ানোর নজিরও রয়েছে।
গত বছর তৃতীয় দফায় দায়িত্ব পালন করেছিলেন জয় শাহ। কিন্তু সে ক্ষেত্রে সকল সদস্যের পূর্ণ ঐকমত্য ছিল। শ্রীলংকা ক্রিকেট তাদের পালা এক বছর পেছাতে রাজি হয়েছিল বলেই তা সম্ভব হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে মহসিনের বিরোধের কারণে অন্তত তিনটি পূর্ণ সদস্যদেশ তার মেয়াদ বাড়ানোর বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারে।
ক্রিকবাজের সঙ্গে আলাপকালে এসিসির এক সদস্য বর্তমান পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, ‘নানা জল্পনা থাকতে পারে, কিন্তু নাকভির মেয়াদ ২০২৭ সালের এপ্রিলে শেষ হবে। এরপর বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার কথা এবং এসিসির সদস্যদের মধ্যে এমন একটি ধারণা আছে যে তামিম দায়িত্ব নিতে আগ্রহী। নাকভি হয়তো যুক্তি দিতে পারেন, গত বছর এজিএম হয়েছিল আগস্টে, তখন এসিসির অন্য পদগুলোর নির্বাচন হয়নি; নির্বাচন হয়েছে এ বছর আগস্টে। কিন্তু এসিসি সভাপতির মেয়াদের সঙ্গে এজিএমের কোনো সম্পর্ক নেই।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন