প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সংবলিত একটি স্মারকলিপি মন্ত্রীর কাছে পেশ করেছেন। ছবি: আরটিভি
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট কমানোর উদ্দেশ্যে যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হবে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের চেয়ারম্যান মাস্টার আবুল কাশেম এবং সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল হাসান মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল মন্ত্রীর মেহেদীবাগস্থ বাসভবনে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। এ সময় মন্ত্রী এ পরিকল্পনার কথা জানান।
সাক্ষাৎকালে সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে সীতাকুণ্ডের সমুদ্র উপকূলীয় বেড়িবাঁধের ওপর মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে বড়দারোগারহাট থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের দাবিও জানান।
এ বিষয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী সরকারের পক্ষ থেকে যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
পরে, সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সংবলিত একটি স্মারকলিপি মন্ত্রীর কাছে পেশ করেন। স্মারকলিপিতে চট্টগ্রাম ওয়াসার পানির লাইন সীতাকুণ্ড পর্যন্ত সম্প্রসারণসহ সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ও দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সহযোগিতা কামনা করা হয়।
সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সীতাকুণ্ড সমুদ্রউপকূলে মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিশেষ করে সীতাকুণ্ড অংশে বড়দারোগারহাট হতে ফৌজদারহাট পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে করার জন্য দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন। মন্ত্রী তাদের কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন