প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কারিনা কাপুর খানের দুই ছেলে তৈমুর ও জেহের প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ কড়াকড়ি রয়েছে। বিশেষ করে মোবাইল ফোন এবং ল্যাপটপের ব্যবহার নিয়ে তিনি সন্তানের ওপর নজর রাখেন। ছেলেদের হাতে যদি দীর্ঘ সময় ফোন থাকে, তাহলে সেটি কেড়ে নিতেও তিনি দ্বিধা করেন না।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে কারিনা সন্তানদের প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে তার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নেতিবাচক প্রভাব নিয়েও শঙ্কা জানিয়েছেন।
তৈমুর ও জেহের হাতে মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপ দেখা যায় কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে কারিনা জানিয়েছেন, ছেলেদের ফোন ব্যবহারের অনুমতি নেই। তৈমুর অবশ্য তার দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির ফোনকে নিজের ফোন হিসেবে দাবি করে।
এ প্রসঙ্গে কারিনা বলেন, তিনি তৈমুরকে বুঝিয়েছেন, সেটি তার ফোন নয়। এমনকি, বন্ধুদের কাছে ওই ফোনটিকে নিজের বলে পরিচয় দিতে পারবে কি না, সে বিষয়ে তৈমুর মায়ের কাছে জানতে চেয়েছিল। কারিনা তখন সরাসরি না করে দেন।
সন্তানদের প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টি তাকে বেশ চিন্তায় রাখে বলেও জানান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি কিছুটা বেশি উদ্বিগ্ন থাকেন। তবে তৈমুর তাকে পাল্টা মনে করিয়ে দেয়, বাবা-মাও তো ফোনে কথা বলেন। কিন্তু ছেলেরা যখন দীর্ঘ সময় গেম খেলতে থাকে, তখন তাদের হাত থেকে ফোন কেড়ে নিতে হয় বলে জানান কারিনা।
সন্তানদের প্রযুক্তি ব্যবহারে কারিনার এই কড়াকড়ি নিয়ে স্বামী সাইফ আলি খানের সঙ্গে মাঝে মাঝে মতের অমিলও হয়। কারিনা জানান, সাইফ মনে করেন তিনি বিষয়টি নিয়ে বেশি চিন্তা করেন এবং তার কিছুটা শান্ত হওয়া প্রয়োজন। তবে কারিনার মতে, সন্তানদের ক্ষেত্রে তাকে আরও সতর্ক থাকতে হবে। এই বিষয়টিই সম্ভবত তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মতবিরোধের কারণ বলেও জানান তিনি।
ছেলেদের শৈশব যতটা সম্ভব দীর্ঘ হোক—এমনটাই চান কারিনা। তার ভাষায়, তিনি চান তৈমুর ও জেহ যতদিন সম্ভব ছোটই থাকুক।
প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার প্রয়োজনীয়তার কথাও স্বীকার করেন কারিনা। তবে তা যেন বিপজ্জনক পর্যায়ে না পৌঁছায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার কথা জানান তিনি। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কিছু দিক তাকে অস্বস্তিতে ফেলে বলেও জানান অভিনেত্রী।
কারিনা বলেন, তার সন্তানদের বয়স এখন ৯ ও ৫ বছর। তাই এআই নিয়ে তিনি বিশেষভাবে চিন্তিত। তার মতে, প্রযুক্তির কিছু বিষয় নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন, আবার কিছু ক্ষেত্রে এর ইতিবাচক ব্যবহারও নিশ্চিত করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন