প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টাঙ্গাইলের বাসাইল জিসি-কাউলজানী সড়কে এলজিইডির প্রায় ১০ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে ৯০ দশমিক ৬ মিটার দীর্ঘ পিএসসি গার্ডার সেতুটি। অভিযোগ রয়েছে, গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন কাউকে না জানিয়ে সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে রডের পরিবর্তে বাঁশ দিয়ে ঢালাইয়ের কাজ চালান। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে বাধা দিলে কাজ বন্ধ রাখা হয় এবং মোবাইল ফোনে সেই দৃশ্যের ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তীতে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
ঘটনা জানাজানির পর সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইকবাল হোসেন। প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ও উপজেলা প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। গঠন করা হয়েছে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিও।
সর্বশেষ আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাসাইল পৌরসভার মাইজখাড়া এলাকা থেকে মামলার প্রধান অভিযুক্তদের একজন ও সাব-ঠিকাদার শাহ আলমকে (৪০) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমান বাদী হয়ে ঠিকাদার এস এম জাহাঙ্গীর আলম ও সাব-ঠিকাদার শাহ আলমকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।
বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত সাব-ঠিকাদারকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি করা হবে। এছাড়া মূল ঠিকাদার এস এম জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জনস্বার্থের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন