প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পিএসজি চ্যাম্পিয়নস লীগে অপরাজিত অবস্থায় ভিয়ারিয়ালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল। তবে প্যারিসিয়ানরা মৌসুমের সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রদর্শন করে। এই আক্রমণাত্মক খেলা দেখার সুযোগ পায় ভিয়ারিয়াল। লুইস এনরিকের দলের মুহুর্মুহু আক্রমণে স্প্যানিশ প্রতিপক্ষকে একরকম উড়িয়ে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে পিএসজি ৬-০ গোলে জয়লাভ করে। ফাবিয়া রুইস জোড়া গোল করেন। জুয়াও নেভ্স, দেজিরে দুয়ে, সেনি মায়ুলু ও ডেভিড বুলি একবার করে জালের দেখা পান। ম্যাচের ৯ম মিনিটে প্রথম গোলটি করেন জোয়াও নেভেস। প্রথম গোল হজম করার পর ভিয়ারিয়াল যখন সামলে ওঠার চেষ্টা করছিল, তখন দেসিরে দুয়ে আঘাত হানেন। ১২ তম মিনিটে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।
পরের মিনিটেই ব্যবধান আরও বাড়ে। নেভসের জোরাল শট ডি-বক্সে প্রতিহত হওয়ার পর, ছয় গজ বক্সের মুখে ফাঁকায় বল পেয়ে, তরুণ মিডফিল্ডার মায়ুলু জোরাল শটে জালে পাঠান। ভিয়ারিয়ালের দুর্দশা চার মিনিট পরে আরও বাড়ে। প্রথমার্ধেই নিজের প্রথম এবং দলের চতুর্থ গোলটি করেন ফ্যাবিয়ান রুইজ। তার বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া কোণাকুণি শট গোলরক্ষককে কোনো সুযোগই দেয়নি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে ম্যাচের শুরু থেকে সবচেয়ে কম সময়ের মধ্যে চার গোল করার রেকর্ড গড়েছে পিএসজি, ১৬ মিনিট দুই সেকেন্ডে। দ্বিতীয়ার্ধের পঞ্চম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ে। বাঁ দিক থেকে ভিতিনিয়ার লম্বা করে বাড়ানো বল ধরে, ডি-বক্সে দারুণ এক ছোঁয়ায় একজনকে কাটিয়ে আলতো শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রুইস।
ম্যাচের শেষভাগে এসে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা উইলি বুলি ভিয়ারিয়ালের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন। তার গোলেই পিএসজির ৬-০ গোলের বড় জয় নিশ্চিত হয়। এবারের আসরে প্রথম চার রাউন্ডের প্রতিটিতে অন্তত চারটি করে গোল করেছে পিএসজি। স্লোভান ব্রাতিস্লাভাকে ৬-১ গোলে হারানোর পর, তারা ম্যানচেস্টার সিটি ও বার্সেলোনার বিপক্ষে দুই ম্যাচেই জয়লাভ করে ৪-২ ব্যবধানে।
এই দাপুটে জয়ে টেবিলে শীর্ষস্থান আরও মজবুত হলো পিএসজির, চার ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ১২।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন