প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টাঙ্গাইলের রাজপথ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের পরিচিত নাম সালেহা আক্তার ইতি। আসন্ন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে যার নাম এখন জনতার মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে। সততা, নিষ্ঠা, উচ্চশিক্ষা এবং সামাজিক সেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি ইতিময় পরিবর্তনের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছেন। শুধু একজন প্রতিশ্রুতিশীল ও তরুণ রাজনীতিক হিসেবেই নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধ ও সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে তিনি নিজেকে অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিএনপির নীতি ও আদর্শে বিশ্বাসী সালেহা আক্তার ইতি তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেত্রী। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে বিগত ২০২০ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টাঙ্গাইল জেলা শাখার সদস্য এবং ২০২২-২০২৩ মেয়াদে জেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। দলের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে তিনি রাজপথে থেকেছেন সম্মুখ সারিতে। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও নীতি ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি তিনি। শুধু আন্দোলন-সংগ্রামেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, দলের যেকোনো প্রয়োজনে নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, বাড়িয়ে দিয়েছেন আর্থিক ও মানসিক সহায়তার হাত। তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের কাছে তিনি এক বিশ্বস্ত আশ্রয়স্থল।সালেহা আক্তার ইতির রাজনৈতিক রক্ত ও পারিবারিক ঐতিহ্য অত্যন্ত সুসংগঠিত এবং বিএনপি পরিবারের সাথে গভীর রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ। তার শ্বশুর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী মিয়া ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং দলীয় রাজনীতিতে একজন অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব। তার স্বামী রফিকুল ইসলাম স্বপন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক, জেলা যুবদলের সাবেক সম্পাদক এবং শহর যুবদলের সাবেক সভাপতির দায়িত্ব পালন করে রাজপথে বিশেষ অবদান রেখেছেন। তার ভাসুর অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম রিপন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং বর্তমানে টাঙ্গাইল জেলার ডিস্ট্রিক্ট পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এমনকি তাদের সন্তান আদনান ইসলাম নাফীও রাজপথের ছাত্রদলের একজন উদীয়মান ও সক্রিয় নেতা। পুরো পরিবারের এমন ত্যাগের পটভূমি তাকে জাতীয়তাবাদী দলের একজন নিখাদ ও আদর্শিক সৈনিক হিসেবে গড়ে তুলেছে।
তবে কেবল রাজনৈতিক পরিচয়েই সালেহা আক্তার ইতিকে সীমাবদ্ধ রাখা কঠিন। তার আসল পরিচয় লুকিয়ে আছে তার কর্মে, একজন প্রখ্যাত সমাজসেবিকা হিসেবে। শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া এবং নতুন প্রজন্মকে বইমুখী করার জন্য তিনি স্টার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে স্থাপন করেছেন ‘মুক্ত পাঠাগার’। শিক্ষানুরাগী এই নেত্রী মনে করেন একটি শিক্ষিত ও সুস্থ সামাজিক পরিবেশ গড়ার জন্য বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।
সামাজিক ও সামাজিক-ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে তার অবদান সর্বজনবিদিত। টাঙ্গাইল সদরের বিভিন্ন মসজিদ নির্মাণে তিনি সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। এলাকার এতিমখানাগুলোতে পিতৃহীন শিশুদের সুশিক্ষা ও জীবনধারণের সুবিধার্থে নিয়মিত নগদ অর্থ ও অনুদান পৌঁছে দিচ্ছেন। সেই সাথে বিভিন্ন হাফেজিয়া ও কওমি মাদ্রাসার সার্বিক পরিচালনা ও প্রসারে তিনি প্রতিনিয়ত নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ যোগান দিয়ে আসছেন। বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ চলাকালীন যখন পুরো দেশ স্থবির হয়ে পড়েছিল, তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ান। বিগত ২০২০ সালের কঠোর লকডাউনের সময় থেকেই তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাল, ডাল, তেলসহ খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ পৌঁছে দিয়েছেন। পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে করোনা মহামারি থেকে রক্ষা করতে নিজ উদ্যোগে হাজার হাজার মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেছেন। বিপদের দিনে মানুষের জন্য তার এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ তাকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী স্থান করে দিয়েছে।দলীয় নেত্রীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও আনুগত্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। বিগত ২০২৫ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের দেশনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে একটি মহিলা মাদ্রাসায় বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেন। দলীয় প্রধানের সুস্থতার জন্য তার এই একক উদ্যোগ দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। এছাড়া গত বছর জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কেক কেটে দলের জন্মদিন পালন করেছেন দলের একনিষ্ঠ আস্থাভাজন নেত্রী সালেহা আক্তার ইতি। তাছাড়া প্রতিটি ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব-পার্বণেও পিছিয়ে পড়া
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন