প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাঠে পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বিতর্ক ও আলোচনা যেন নেইমার জুনিয়রের জন্য একটি অনিবার্য অধ্যায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শৈশবের ক্লাব সান্তোসের জার্সিতে মাঠে নেমে এবার তিনি প্রতিপক্ষ ফুটবলারের উদ্দেশে মুখ ঢেকে কথা বলার কারণে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। এর আগে, প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের বুকে বল ছুড়ে মারার অপরাধে তিনি প্রথম হলুদ কার্ডটি পেয়েছিলেন।
ব্রাজিলেইরো সিরি এ’র ম্যাচে সান্তোসের ঘরের মাঠ ভিলা বেলমিরোয় বাহিয়ার বিরুদ্ধে একটি নাটকীয় ও ঘটনাবহুল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচের ৩৯ মিনিটে সফরকারী ডিফেন্ডার লুসিয়ানো জুবার গোলে বাহিয়া এগিয়ে যায়। তবে, নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ইনজুরি সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে লুয়ান পেরেজ পেট্রোনির দুর্দান্ত গোলে সান্তোস পরাজয় এড়ায় এবং ম্যাচের ফলাফল ১-১ হয়।
ম্যাচের ফলাফল ছাপিয়ে এখন ফুটবল পাড়ায় প্রধান আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে নেইমারকে দেখানো লাল কার্ড। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে, বাহিয়ার খেলোয়াড় রদ্রিগো নেস্তরের সঙ্গে মুখ হাত দিয়ে ঢেকে কথা বলার কারণে তাকে এই শাস্তি পেতে হয়। ঘটনার সময় রেফারি স্যাভিও পেরেইরা অন্য দিকে ফিরে থাকলেও, প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় নেস্তরের অভিযোগের ভিত্তিতে ভিএআর পরীক্ষা করে নেইমারকে লাল কার্ড দেখান ম্যাচ রেফারি।
এই লাল কার্ডের কারণে আগামী বুধবার সান্তোসের আসন্ন পালমেইরাসের বিপক্ষে ম্যাচে নেইমার নিষিদ্ধ থাকবেন। এছাড়াও, চলতি মৌসুমে ইতিমধ্যে তিনটি হলুদ কার্ড দেখে ফেলায় নিয়মানুযায়ী ব্রাগান্তিনোর বিপক্ষে পরবর্তী সোমবারের ম্যাচটিও তিনি মিস করবেন।
মাঠ থেকে সাজঘরে ফেরার সময় রেফারিকে বাধ্য করার এই অভিনব কৌশল এবং প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় নেস্তরের আচরণ নিয়ে চরম ক্ষোভ ও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন নেইমার।
ম্যাচ শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তাকে বলতে শোনা যায়, “আমরা মাঠে মজা করছিলাম, একে অপরকে নিয়ে হাসাহাসি করছিলাম। ঠিক সেই মুহূর্তে আমি নেস্তরের সঙ্গে কথা বলতে যাই। আমি ভুলবশত আমার হাত মুখের ওপর নিয়ে এসেছিলাম এবং তখনও আমি মুখ খুলে কিছু বলিনি, ঠিক তার আগেই সে নিজের হাত তুলে নাটক শুরু করল। এটি ফুটবলের সবচেয়ে নোংরা কৌশলগুলোর একটি! আর আমি নেস্তরকে দেখে নেব।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন