প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, নিরাপদ প্রাণিজ খাদ্য উৎপাদন, খাদ্য নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সক্ষমতা বৃদ্ধি লক্ষ্য নিয়ে কানাডার সঙ্গে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।
কানাডা সফররত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে কানাডার রাজধানী অটোয়ায় কানাডিয়ান ফুড ইনস্পেকশন এজেন্সির (সিএফআইএ) কার্যালয়ে দেখা করেন মহাপরিচালক ড. পার্থি মুথুকুমারাসামি ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে। এই বৈঠকে সহযোগিতার কথা জানানো হয়।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান ও উপপরিচালক মো. শরিফুল হক।
আজ ঢাকায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রাণিস্বাস্থ্য, ভেটেরিনারি সেবা, পশুখাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, রোগ নজরদারি, গবেষণা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি ব্যবস্থা অর্থাৎ খাদ্য, প্রাণী ও উদ্ভিদস্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ক আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ ছাড়া বৈঠকে প্রাণিজ পণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কারিগরি সহযোগিতা বৃদ্ধি, তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, আধুনিক পরীক্ষাগার ও খাদ্য পরিদর্শন ব্যবস্থা উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।
মাধ্যমিক পদক্ষেপের অধীনে সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিরাপদ প্রাণিজ খাদ্য উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। কানাডিয়ান ফুড ইনস্পেকশন এজেন্সির কারিগরি সহযোগিতা বাংলাদেশের সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
কানাডিয়ান ফুড ইনস্পেকশন এজেন্সির মহাপরিচালক ড. পার্থি মুথুকুমারাসামি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা, প্রাণিস্বাস্থ্য ও নিয়ন্ত্রক সক্ষমতা উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জ্ঞান, প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময় আরও বৃদ্ধি পাবে। বৈঠকের শেষে উভয় পক্ষ প্রাণিসম্পদ ও খাদ্য নিরাপত্তা খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। এই বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং কানাডার মধ্যকার প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন