প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় ইউক্রেনে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা তৈরির প্রস্তাব পেশ করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই প্রস্তাবে সম্মত হননি। গত জুলাইয়ের প্রথম দিকে তুরস্কে জেলেনস্কির সঙ্গে এক বৈঠকে এই বিষয়ে সহায়তার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল, তবে গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে তিনি সেই প্রতিশ্রুতি থেকে পিছু হটেন।
বৃহস্পতিবার মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডে মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে ট্রাম্প বলেন, "এটি একটি বড় পদক্ষেপ, বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির জন্য।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জেলেনস্কি কিছু প্যাট্রিয়ট এবং কিছু টমাহক পেতে চান। একটির মধ্যে রক্ষণাত্মক ব্যবস্থা রয়েছে, অপরটিতে আক্রমণাত্মক।
ট্রাম্প যোগ করেন, "মাঝে মাঝে আমাদের সকলকেই বিচক্ষণতা ও সতর্কতার মাত্রা অনেক বেশি বাড়াতে হয়। এটি এমনই একটি বিষয়।" তিনি বলেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকলেও, ইউক্রেনকে এ ধরনের প্রযুক্তি হস্তান্তর করা খুব কঠিন একটি কাজ।
এদিকে, ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্তের পেছনে ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি কাজ করছে বলে মনে হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, "যদি আমি কারো সম্পর্কে নেতিবাচক কিছু ভাবতে চাই না, তবে আপনারা সকলেই জানেন যে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অনেক মানুষ রয়েছে, যাদের হাতে এ ধরনের উন্নত প্রযুক্তি দিলে সামনের দিকে একসময় তারা আপনার বিরুদ্ধে চলে যাবে।"
এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য যে, রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে ইউক্রেন দীর্ঘদিন ধরে প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেম ও পিএসি-৩ ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে পিএসি-৩ ক্ষেপণাস্ত্রের ভারী সংকট থাকায় ইউক্রেন নিজস্ব উৎপাদনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চেয়ে আসছিল। তবে ট্রাম্পের বর্তমান সিদ্ধান্ত কিয়েভের সেই পরিকল্পনাকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন