প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দাবি করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে প্রমাণ করেছেন যে, জনগণের বিপক্ষে গেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ডেঙ্গু রোগী শনাক্তকরণ ও চিকিৎসাসেবা প্রদানের লক্ষ্যে ‘মোবাইল ফিভার ক্লিনিক’ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ দাবি করেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো বিষয়ে জনগণের পক্ষে থাকবেন। কোনো ধরনের অনিয়মের বিষয়ে কাউকে ছাড় দেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘মিরপুরের একটি ঘটনায় আমাদের দুর্দিনের কর্মী মিষ্টি আপাকে বলি হতে হয়েছে। ইশরাক কোনো জায়গা দখল করতে যাননি। তিনি মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু একজন শপথ গ্রহণকারী মন্ত্রী, আমি বা ডাক্তার, আমাদের নিযুক্ত প্রশাসক—আমরা এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারি না। ইতিবাচক বিষয়ের মধ্যে ৫ শতাংশ নেতিবাচক থাকার কারণে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইশরাককে মন্ত্রীর পদ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। এটাই হচ্ছে বিএনপি সরকার।’
জামায়াতের সমালোচনা করে মীর শাহে আলম বলেন, ‘ফুটবল-ক্রিকেট টিমের ১১ দলীয় ঐক্যের প্রবীণ সংসদ সদস্য গাজী নজরুল নিজের মেয়ের বয়সী মেয়ের সঙ্গে অনৈতিক ও অস্বাভাবিক কার্যকলাপে ধরা পড়ার পর লোক দেখানোর জন্য তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। কিন্তু সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করানো হয়নি। এটাই হচ্ছে বিএনপির সঙ্গে অন্য রাজনৈতিক দলের তফাত।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জনগণের পক্ষে থাকার জন্য যদি সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন, তাহলে আপনারা জনগণের ভোট পেয়েও কাজ করলেন কখন?’
সাত মাস একটি সরকারের জন্য বড় সময় নয় উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করেছি। গতবারের তুলনায় ডেঙ্গু কমেছে। আমাদের উদ্দেশ্য জনগণের ভোট নিয়ে বারবার নির্বাচিত হওয়া। যেখানে ব্যর্থতা রয়েছে, সেখানে দুঃখ প্রকাশ করছি। বিদ্যুৎ নিয়েও আমরা দুঃখ প্রকাশ করেছি।’
বিরোধী দলের নেতারা সস্তা রাজনীতি করছেন দাবি করে তিনি বলেন, ‘মিরপুর-১০ নম্বরের অবৈধ দোকান সরিয়ে দেওয়ার পর সস্তা রাজনীতি করতে এসেছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির। জনগণের মন না বোঝায় পুরো ধরা খেয়ে গেছেন তিনি। তাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ঢুকে দেখেছি, সাধারণ মানুষ যে পরিমাণ সমালোচনা করেছে, লজ্জা থাকলে ভবিষ্যতে জনগণের পক্ষে কথা বলা উচিত।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন