০১:২০ পি.এম
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আব্দুল মাবুদ দাবি করেছেন যে ইয়াবা সেবনের প্রতিবাদ করায় রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি এই দাবি করেন রোববার (২৩ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে।
আব্দুল মাবুদ জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডে দুই যুবক মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ জড়িত। একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার এই ঘটনায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: নেছারাবাদের সমুদয়কাঠী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা মনিরের
হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ কমিশনার জানান, লুট করা মালামালও উদ্ধার হয়েছে। এর আগে ভোরে রংপুরে তালাবদ্ধ একটি বাড়ি থেকে পুলিশ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও গলায় রশির দাগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় গণপতি চক্রবর্তী তার পরিবারের সঙ্গে দোতলায় থাকতেন। কিছুদিন ধরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ না পেয়ে স্বজনরা বাড়িতে দেখতে আসেন। বাড়িতে এসে তারা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় বাড়িটি দেখতে পান।
পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে তালা ভেঙে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা দোতলার সিঁড়ির কাছ থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেন। আরেকটি কক্ষের খাটের নিচ থেকে ছোট ছেলে আয়ুষের মরদেহ উদ্ধার হয়।
স্বজনরা বলেন, গতকাল ফোন না দেয়ার কারণে আজ পরিবারের সদস্যরা ফোন দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু সে চেষ্টা সফল হয়নি। পরে বাড়িতে এসে তারা এই অবস্থা দেখতে পান।
আরও পড়ুন: মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রতিবেশীরা ক্ষোভ ও নিন্দা জানান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করেন।
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর রংপুর জিলা স্কুল থেকে গণপতি চক্রবর্তী অবসর নিয়েছিলেন। তার মেয়ে আগামী চক্রবর্তী কারমাইকেল কলেজ থেকে মাস্টার্স শেষ করেছেন এবং ছেলে আয়ুষ ছিল রংপুর জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন