বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৩৬ পি.এম
চাঁদপুরে যৌথ টাস্কফোর্সের একটি ব্লক-রেইড অভিযানে মোঃ আব্দুর রহিম (৪৬) নামের এক বিএনপি নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার কাছে ২ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ ৭০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। আব্দুল রহিম চাঁদপুর পৌর ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টা থেকে পৌনে ৬টা পর্যন্ত চাঁদপুর সদর মডেল থানাধীন বড় স্টেশন রেল কলোনি এলাকায় অভিযানটি পরিচালিত হয়। এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মু: মিজানুর রহমান। অভিযানে জেলা পুলিশ এবং বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন।
ডিএনসি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বড় স্টেশন রেল কলোনিতে আব্দুল রহিমের বসতঘরে যৌথ বাহিনীর টিম অভিযান চালায়। তল্লাশি চালানোর সময় ২,৫০০ পিস ইয়াবা, ৭০ হাজার টাকা, ২টি মোবাইল হ্যান্ডসেট এবং ৪টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়।
অভিযানের সময় আব্দুল রহিমকে গ্রেফতার করা হলেও তার দুই সহযোগী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পলাতক আসামিরা হলেন- রেলওয়ে কলোনি এলাকার মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে মোঃ ফারহান রানা (৩২) এবং যমুনা রোড (টিলাবাড়ি) এলাকার জলিল বেপারির ছেলে মোঃ জয় ইসলাম (২৬)। আব্দুল রহিম চাঁদপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ৫ নম্বর ঘাট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন এবং বর্তমানে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বড় স্টেশন লোক কলোনিতে বসবাস করছিলেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মামলার বাদী ও ডিএনসি চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক মোঃ সোহেল রানা জানান, অভিযানের সংগৃহীত আলামতের ভিত্তিতে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে, মাদকসহ গ্রেফতার হওয়ার খবর জানার পর রহিমকে তাৎক্ষণিকভাবে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সেনবাগে পুকুরের পানিতে ডুবে মৃত্যু ঘটেছে হুমায়ারা বেগম (৫) নামে এক শিশুর। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টার সময় উপজেলার ৬ নম্বর কাবিলপুর ইউনিয়নের পূর্ব কাবিলপুর গ্রামের মিঝি বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। নিহত হুমায়ারা ওই বাড়ির লিটনের কন্যা।
হুমায়ারা পরিবারের সদস্যদের অগোচরে পুকুরপাড়ে খেলছিল এবং এ সময় সে পানিতে পড়ে যায়। দীর্ঘ সময় তাকে না দেখে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সেনবাগ থানার ওসি মো.
হযরত আলী মিলন জানিয়েছেন, এ বিষয়ে থানায় কেউ অবহিত করেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মনোয়ারা বেগম চাঁদপুর জেলা পরিষদ কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) তিনি কার্যালয় প্রাঙ্গণে পৌঁছালে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম. সলিম উল্যা সেলিম এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.
কবির হোসেন সরদার ফুল দিয়ে অতিথিকে স্বাগত জানান। এ সময় জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
শুভেচ্ছা জ্ঞাপন শেষে, বিভাগীয় পরিচালক মহোদয় জেলা পরিষদের সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রম ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগসমূহ পর্যবেক্ষণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিদিন স্কুটারে করে কর্মস্থলে আসতেন কর্মীরা। ঠাণ্ডা, বৃষ্টি কিংবা ঝড়, কোনো কিছুই তাদের যাতায়াত থামাতে পারত না। এবার চীনের এক রেস্তোরাঁ মালিক কর্মীদের কয়েকজনের হাতে একেবারে নতুন বিএমডব্লিউর চাবি তুলে দিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। এই ব্যতিক্রমী উপহারের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন।
মধ্য চীনের হেনান প্রদেশের জিয়াওজুও শহরে বিফ হটপটের একটি চেইন রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেন মা ইয়ানলি। তিনি লক্ষ্য করেন, তার অনেক কর্মী প্রতিদিন ইলেকট্রিক স্কুটারে করে কর্মস্থলে আসেন। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও তাদের এভাবেই যাতায়াত করতে হয়, যা তাকে ভাবিয়ে তোলে।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর মা কয়েকজন কর্মীকে একটি বিএমডব্লিউ ডিলারশিপে নিয়ে যান। কর্মীদের জানানো হয়েছিল, সেখানে একটি মিটিং রয়েছে। কিন্তু ডিলারশিপে পৌঁছানোর পর তারা জানতে পারেন, তাদের জন্য অপেক্ষা করছে এক বড় চমক।
মা তাদের মধ্যে কয়েকজনকে একেবারে নতুন বিএমডব্লিউ গাড়ি উপহার দেন। প্রতিটি গাড়ির দাম প্রায় ৩ লাখ ইউয়ান, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৩ লাখ টাকা। আরও চমকপ্রদ বিষয় হলো, গাড়ির চাবি কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়ার আগেই তিনি গাড়িগুলোর পুরো দাম পরিশোধ করে রেখেছিলেন।
ফলে নির্বাচিত কর্মীদের গাড়ির জন্য কোনো টাকা খরচ করতে হয়নি। স্কুটারে করে বৃষ্টি-ঝড় পেরিয়ে কাজে আসা কর্মীদের জন্য এবার যাতায়াতের সঙ্গী হলো বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ।
মা ইয়ানলি বলেন, ‘প্রতিকূল আবহাওয়ায় কর্মীদের কষ্টের কথা তিনি বুঝতে পারেন। তাদের নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করতেই তিনি এই উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’ ভাগ্যবান কর্মীদের একজন লি জিয়ে বলেন, ‘আমি খুবই রোমাঞ্চিত! আগে এটা নিয়ে ভাবার সাহসও করিনি।’
মা ব্যাখ্যা করেন, একজন কর্মীকে তীব্র ঠাণ্ডার মধ্যে যাতায়াত করে স্পষ্টতই লাল মুখ নিয়ে ফিরতে দেখে তিনি বিশেষভাবে আবেগাপ্লুত হয়েছিলেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যখন তিনি নিজে আরামে যাতায়াত করতে পারেন, তখন তার কর্মীদের কেন এমন পরিস্থিতি সহ্য করতে হবে।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মা ইয়ানলি মনে করেন, তার কর্মীদের সম্মিলিত পরিশ্রমেই ব্যবসা আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছে। তাই প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের সুফলে কর্মীদেরও সরাসরি অংশীদার করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।
কর্মীদের জন্য এমন ব্যতিক্রমী উপহারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই কর্মীদের প্রতি মায়ের উদারতা ও আন্তরিকতার প্রশংসা করেছেন। একই সঙ্গে, পরিশ্রমী কর্মীদের কিভাবে স্বীকৃতি ও পুরস্কৃত করা যায়, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দ রোড থেকে বগুড়া রোড—বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ আভিযানিক টিমের তৎপরতা
মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আকস্মিক চেকপোস্ট ও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) বরিশাল মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার বিশেষ আভিযানিক টিম নগরীর *বান্দ রোড, রূপাতলী, সাগরদী, সিএন্ডবি রোড, বটতলা ও বগুড়া রোড* এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
বিএমপি মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল নগরীতে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং সন্দেহভাজন অপরাধীদের গতিবিধির ওপর নজরদারি জোরদার করা।
অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে আকস্মিক চেকপোস্ট স্থাপন করে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর নজরদারি করা হয়। একই সঙ্গে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরীতে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত তল্লাশি, চেকপোস্ট ও বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বরিশাল মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সমন্বয়ে মাদকবিরোধী অভিযান এবং কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ দমনে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশের উপস্থিতি ও নজরদারি আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
বিএমপি মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরীতে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিরসনে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ