প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার যমুনা নদীঘেঁষে অবস্থিত ঐতিহাসিক তিস্তামুখ ঘাটটি চরাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা ও যোগাযোগের প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সপ্তাহে দু'দিন—শনিবার ও মঙ্গলবার—স্থানীয় হাটের দিনে এই ঘাটে পণ্য পরিবহন ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতের যে কর্মব্যস্ততা তৈরি হয়, তা দেখার মতো। তবে হাটের দিন ছাড়াও প্রতিদিন হাজারও মানুষ নদী পারাপারের জন্য এখানে ভিড় জমান।
ঘাটে সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর পাড়ে সারিবদ্ধভাবে বাঁধা রয়েছে অসংখ্য ইঞ্জিনচালিত ছোট-বড় নৌকা। চরাঞ্চল থেকে উৎপাদিত কৃষি পণ্য, গৃহস্থালি সামগ্রী, আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সতর্কতার সাথে নৌকায় ওঠানামা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। যাত্রী ও পণ্য পারাপারের এই নিরবচ্ছিন্ন ব্যস্ততায় মুখর থাকে পুরো ঘাট এলাকা। চরাঞ্চল থেকে আসা যাত্রীদের অনেককে ঘাটের ঢালু বাঁধের ওপর গাছের ছায়ায় বসে নৌকার জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
নদীর পানি কিংবা বর্ষার কাদা-মাটি—প্রতিকূল পরিবেশকে জয় করে নদীপাড়ের মানুষকে প্রতিদিন লড়তে হয় জীবন যুদ্ধে। মূল ভূখণ্ডের সাথে উপজেলা সদরের সহজ ও একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম হওয়ায় তিস্তামুখ ঘাটটি এই অঞ্চলের মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্থানীয় চরাঞ্চলের বাসিন্দারা জানান, জীবনের ঝুঁকি ও নানা দুর্ভোগ সহ্য করেই তাদের যাতায়াত করতে হয়। ঘাটটির সঠিক ব্যবস্থাপনা, প্রয়োজনীয় যাত্রীছাউনি নির্মাণ এবং অবকাঠামোগত সংস্কার করা হলে চরাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ ও উন্নত হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন