প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা.) বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো বন্ধ করা উচিত।
তিনি এ আহ্বানটি হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর ১৫০১তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত র্যালির পূর্বে দেওয়া বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
র্যালিতে লক্ষাধিক আশেকে রাসুল অংশগ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে।
এর আগে, দিনব্যাপী আশেকে রাসুল (সা.) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি দরবারের পির সাহেবরাও ছিলেন।
কুদরত এ খোদা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-কে আশেকে রাসুলদের জন্য সবচেয়ে আনন্দের দিন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মুসলিম জাতি দীর্ঘদিন ধরে এই আনন্দ উদযাপনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল।
তিনি জানান, মুসলিমরা জানত যে, হজরত রাসুল (সা.) একই দিনে জন্মগ্রহণ ও ওফাত লাভ করেছেন। কিন্তু বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সংস্কারক সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.) মুসলিম জাতির এ ভুল ভেঙে দেন। তিনি ঐতিহাসিক দলিলের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, হজরত মোহাম্মদ (সা.) ১ রবিউল আউয়াল ওফাত লাভ করেছেন এবং ১২ রবিউল আউয়াল জন্মগ্রহণ করেছেন।
এ কারণে, মুসলিম জাতি আজ দয়াল রাসুল (সা.)-এর জন্মদিনে প্রাণভরে আনন্দ করার সুযোগ পাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন কুদরত এ খোদা।
সম্মেলনে বক্তারা জানান, হজরত দেওয়ানবাগী (রহ.) ইসলামে শতাধিক সংস্কার করেছেন। তারা বলেন, দেওয়ানবাগী হুজুরের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফলে বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন শুরু করেছে।
সম্মেলনে দেশবরেণ্য আলেমগণের পাশাপাশি বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. ফারুক (এম. ফারুক), নজরুল গবেষক ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জাকির হোসেন, কলাম লেখক ও গবেষক ড. মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন সোহেল, জাতীয় আইন কলেজের সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান মিয়া, মুহাদ্দিস এমরান হোসাইন মাজহারীসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন