প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর এবার নকআউটের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে নামছে ফ্রান্স। সাধারণত নকআউটের নকশায় অনেক কোচই রক্ষণাত্মক বা সাবধানী কৌশলে দল সাজাতে পছন্দ করেন; তবে ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে হাঁটছেন। সুইডেনের বিপক্ষে শেষ বত্রিশের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তারা নিজেদের চেনা ছক থেকে সরবেন না বরং মাঠের লড়াইয়ে আগ্রাসী ফুটবলই খেলবে গত আসরের রানার্সআপরা।
উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় ওঠার এই লড়াইয়ে, আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় নিউইয়র্কে মুখোমুখি হতে চলেছে দল দুটি। ফ্রান্সের আক্রমণভাগ, যা কিলিয়ান এমবাপ্পে, মাইকেল ওলিসে এবং উসমান দেম্বেলেকে নিয়ে গড়া, যেকোনো রক্ষণের জন্যই এক বড় আতঙ্কের নাম। গ্রুপ পর্বে তারা প্রতিপক্ষের জালে রীতিমতো ঝড় তুলে তিন ম্যাচে ১০টি গোল করেছে। যেখানে এমবাপে ও দেম্বেলে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। অতীতের পরিসংখ্যানও বলছে, ২০১৮ সালের শিরোপা জয় কিংবা ২০২২ সালের ফাইনাল, সবখানেই নকআউট পর্বে গোলবন্যার ইতিহাস রয়েছে তাঁদের। দেশম মনে করেন, প্রতিপক্ষকে আক্রমণে ধসিয়ে দেওয়ার এই শক্তিটাই তাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র এবং যেকোনো মূল্যে তারা এই ধারা বজায় রাখতে চান।
অন্যদিকে, সুইডেন বেশ কঠিন সমীকরণ মিলিয়ে নকআউটে পা রেখেছে। তারা গ্রুপ পর্বে তিউনিসিয়াকে বড় ব্যবধানে হারালেও নেদারল্যান্ডসের কাছে বড় ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত জাপানের সাথে ড্র করে তৃতীয় সেরা দলগুলোর একটি হয়ে শেষ বত্রিশ নিশ্চিত করে সুইডিশরা। ফ্রান্সের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার আগে সুইডেন কোচ গ্রাহাম পটার বাস্তববাদী। পটার অকপটে স্বীকার করেছেন, ডাচদের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিয়ে তাদের খেলায় অনেক উন্নতি করতে হবে। তিনি মন্তব্য করেছেন, ফরাসিদের রুখে দিতে হলে সুইডেনকে তাদের ইতিহাসের সেরা ফুটবলটাই খেলতে হবে। এখন দেখার বিষয়, দেশমের আগ্রাসী কৌশলের সামনে পটারের সুইডেন কতটুকু প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন